ঢাকায় কার্যালয় করে কাজ শুরু করবে পেপ্যাল


সংবাদ প্রকাশ ডেস্ক
প্রকাশিত: অক্টোবর ২৪, ২০২১, ০৩:১৮ পিএম
ঢাকায় কার্যালয় করে কাজ শুরু করবে পেপ্যাল

তথ্যপ্রযুক্তির আন্তর্জাতিক বিশ্লেষকদের অনেকেই এখন বাংলাদেশকে বলেন ফ্রিল্যান্সিংয়ের নতুন হাব। কিন্তু পেমেন্ট গেটওয়ে পেপ্যালের কার্যক্রম না থাকায় কাজ শেষে বিশ্বের বিভিন্ন দেশ থেকে উপার্জিত অর্থ দেশে আনতে ফ্রিল্যান্সারদের নির্ভর করতে হয় তৃতীয় কোনো দেশের ওপর। এতে বড় অংকের অর্থ হারাতে হয় তাদের। দীর্ঘ অপেক্ষার পর এবার এলো সুসংবাদ। ডিসেম্বর থেকে ঢাকায় কার্যালয় করে কাজ শুরু করবে পেপ্যাল। এমন তথ্য দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রীর বেসরকারি শিল্প ও বিনিয়োগ উপদেষ্টা সালমান এফ রহমান।

দেশে বসে অনলাইনে কাজ করে বিদেশ থেকে অর্জিত বৈদেশিক মুদ্রা উত্তোলনের সুবিধার্থে পেপ্যাল সার্ভিস চালুর দাবি করে আসছেন দেশের অনলাইন ফ্রিলান্সাররা। এর পরিপ্রেক্ষিতে কয়েক বছর আগে সোনালী ব্যাংকের সঙ্গে পেপ্যালের চুক্তি হয়। পরবর্তীতে সেটি বাংলাদেশ ব্যাংক অনুমোদন দিলে সেবা চালু করতে উভয়পক্ষ সম্মত হয়।

জানা যায়, দীর্ঘদিন ধরে ওয়েবসাইটসহ অনলাইনে অর্থ লেনদেনের প্রযুক্তিগত ও নিরাপত্তার বিষয়টি পরীক্ষা-নিরীক্ষা করেছে সোনালী ব্যাংক ও পেপ্যাল। এ নিয়ে পেপ্যালের শীর্ষস্থানীয় কর্মকর্তাদের সঙ্গে সম্প্রতি আলাপও করেন তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি প্রতিমন্ত্রী জুনাইদ আহমেদ পলক।

আগের তথ্য অনুযায়ী, পেপ্যালের তিন ধরনের প্যাকেজ অ্যাকাউন্টের মাধ্যমে ১৯০টি দেশ ও ২৩টি মুদ্রায় অর্থ লেনদেন ও কেনাকাটা করতে পারবেন বাংলাদেশিরা। এর জন্য অতিরিক্ত চার্জ নেবে না সোনালী ব্যাংক। তবে মানি লন্ডারিং ঠেকাতে গ্রাহকদের বাংলাদেশ ব্যাংকের বেঁধে দেওয়া ট্রাভেল কোটার মধ্যে কেনাকাটা করতে হবে।

এ জন্য পেপ্যাল বিডির ওয়েবসাইটে গিয়ে যে কেউ সরাসরি রেজিস্ট্রেশন করতে পারবে। সে ক্ষেত্রে তিনটা প্যাকেজের মধ্যে মানানসই একটি প্যাকেজ পছন্দ করতে হবে। ২০০-১০০০ টাকা পর্যন্ত বাৎসরিক ফি পরিশোধ করে একাউন্ট চালু করতে হবে। সেবা থেকে উত্তোলনের অর্থের ৩-১০% পর্যন্ত পেপ্যালকে দিতে হবে।

ইদানীং পেপ্যাল ঝুম (xoom.com) নামের আমেরিকাভিত্তিক একটি অনলাইন রেমিট্যান্স কোম্পানিকে কিনে নিয়েছে। যার মাধ্যমে তারা বাংলাদেশে শুধু রেমিট্যান্সের টাকা পাঠানোর সার্ভিস প্রদান করবে।

Link copied!