দেশের অন্যতম প্রধান ডিজিটাল অপারেটর বাংলালিংক তাদের অরেঞ্জ ক্লাব লয়্যালটি নেটওয়ার্ক আরও বিস্তৃত করেছে এবং সারাদেশে ৪ হাজারেরও বেশি পার্টনার আউটলেটের মাইলফলক স্পর্শ করেছে। এই বিশাল পার্টনার নেটওয়ার্কের ফলে অরেঞ্জ ক্লাব বর্তমানে বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় লাইফস্টাইল সুবিধাভিত্তিক প্ল্যাটফর্মগুলোর একটিতে পরিণত হয়েছে। এই উদ্যোগের মাধ্যমে বাংলালিংক শুধুমাত্র মোবাইল সেবা প্রদানের গণ্ডি পেরিয়ে তাদের কোটি কোটি গ্রাহকের জন্য জীবনযাত্রার মান উন্নয়নে বিশেষ সুবিধা নিশ্চিত করছে।
অরেঞ্জ ক্লাবের সদস্যরা রিটেইল শপিং, স্বাস্থ্যসেবা, ভ্রমণ, খাবার, ইলেকট্রনিক্স এবং শিক্ষাসহ জীবনের নানা ক্ষেত্রে আকর্ষণীয় ছাড় ও বিশেষ সুবিধা পাচ্ছেন। গ্রাহক সেবায় প্রতিশ্রুতিবদ্ধ বাংলালিংক তাদের 'ডিও ১৪৪০' মূলমন্ত্রের আলোকে এই পার্টনার নেটওয়ার্ক গড়ে তুলেছে, যার লক্ষ্য হলো গ্রাহকদের দিনের প্রতিটি মুহূর্তে—অর্থাৎ পুরো ১,৪৪০ মিনিটজুড়ে—মানসম্পন্ন ডিজিটাল সেবা পৌঁছে দেওয়া। ক্রমবর্ধমান এই পার্টনারশিপের মাধ্যমে বাংলালিংক ডিজিটাল সেবাকে গ্রাহকদের দৈনন্দিন জীবনের সাথে সংযুক্ত করেছে, যাতে গ্রাহকেরা যেকোনো স্থান থেকে সহজেই প্রয়োজনীয় সুবিধা ভোগ করতে পারেন।
অরেঞ্জ ক্লাবের পার্টনার তালিকায় রয়েছে ওয়ালটন, স্বপ্ন, স্যামসাং ইলেক্ট্রা, যমুনা ইলেকট্রনিকস, বার্জার পেইন্টস, ল্যাবএইড, ব্র্যাক হেলথকেয়ার এবং বাংলাদেশ স্পেশালাইজড হাসপাতালের মতো স্বনামধন্য ব্র্যান্ড। এছাড়াও ডোমিনোজ পিৎজা, সায়মান বিচ রিসোর্ট, রামাদা বাই উইন্ডহ্যাম, পাঠাও, ইউএস-বাংলা এয়ারলাইন্স, রকমারি এবং শেয়ারট্রিপের মতো জনপ্রিয় ভ্রমণ ও লাইফস্টাইল পার্টনাররা সদস্যদের জন্য অভিজ্ঞতা আরও সমৃদ্ধ করছে।
এ প্রসঙ্গে বাংলালিংকের চিফ মার্কেটিং অফিসার কাজী মাহবুব হাসান বলেন, "একটি পিপল-ফার্স্ট ব্র্যান্ড হিসেবে আমাদের দায়িত্ব হলো গ্রাহকদের প্রতিদিনের জীবনে বাস্তব এবং ইতিবাচক প্রভাব ফেলা। এই চিন্তা থেকেই অরেঞ্জ ক্লাবের যাত্রা শুরু হয়েছিল। আমাদের উদ্দেশ্য হলো বিভিন্ন ছাড়ের মাধ্যমে গ্রাহকদের খরচ কমানো এবং বিশেষ অফারের মাধ্যমে তাদের জীবনে আনন্দের মুহূর্ত যোগ করা। ৪ হাজার পার্টনার আউটলেটের এই মাইলফলক শুধু একটি সংখ্যা নয়—এটি আমাদের গ্রাহকদের জীবনের আরও কাছাকাছি পৌঁছানোর এবং তাঁদের প্রতিটি কেনাকাটা ও সংযোগের মুহূর্তে পাশে থাকার প্রতিশ্রুতির প্রমাণ।"
বাংলালিংকের ক্রমবর্ধমান পার্টনার ইকোসিস্টেম গ্রাহকদের অগ্রাধিকার দেওয়া এবং অন্তর্ভুক্তিমূলক ডিজিটাল সমাধানের মাধ্যমে আস্থাভিত্তিক সম্পর্ক তৈরির ক্ষেত্রে কোম্পানির লক্ষ্যকে আরও শক্তিশালী করছে। মাইবিএল অ্যাপের মাধ্যমে প্রয়োজন অনুযায়ী রিওয়ার্ড প্রদান করে বাংলালিংক ডিজিটাল উদ্ভাবনে তাদের নেতৃত্বের অবস্থান ধরে রাখছে এবং সারাদেশে গ্রাহক সম্পৃক্ততা বৃদ্ধির পাশাপাশি দীর্ঘমেয়াদী সম্পর্ক আরও মজবুত করছে।








































