শুক্রবার (৮ অক্টোবর) রাজধানীর কলাবাগান মাঠে দুর্গাপূজার জন্য ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশন (ডিএসসিসি) অনুমতি দেয়নি বলে অভিযোগ করেছেন ধানমন্ডি সর্বজনীন পূজা উদ্যাপন কমিটির নেতারা। এক সংবাদ সম্মেলনে তারা বলেন, “স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয় অনুমতি দিলেও ডিএসসিসি কলাবাগান মাঠে দুর্গাপূজার জন্য মণ্ডপ তৈরি করার অনুমতি দিচ্ছে না।”
ধানমন্ডি সর্বজনীন পূজা উদযাপন কমিটির এ অভিযোগের জবাব দিয়েছে ডিএসসিসি। কলাবাগান মাঠে পূজামণ্ডপ তৈরি করার অনুমতি না দেওয়ার কারণ জানিয়ে ডিএসসিসি বলেছে, উন্নয়ন প্রকল্প চলার কারণে বাস্তবতা বিবেচনায় এবং মাঠের ক্ষতি এড়াতে মুসলমানদের সবচেয়ে বড় ধর্মীয় উৎসব পবিত্র ঈদুল ফিতর ও পবিত্র ঈদুল আজহার নামাজের অনুমতি দেওয়া হয়নি। একই প্রেক্ষাপটে সনাতন ধর্মাবলম্বীদের প্রধান উৎসব শারদীয় দুর্গোৎসবেরও অনুমতি দেওয়া হয়নি।
এক বিজ্ঞপ্তিতে দক্ষিণ সিটি করপোরেশন জানায়, কলাবাগান মাঠ ও সংশ্লিষ্ট এলাকায় ২০১৮ সাল থেকে একটি উন্নয়ন প্রকল্প বাস্তবায়ন করা হচ্ছে। প্রকল্পের আওতায় কলাবাগান মাঠের উন্নয়ন, মাঠ থেকে ধানমন্ডি-৩২ এবং মাঠ থেকে ধানমন্ডি লেকের পানসি রেস্তোরাঁ পর্যন্ত পথচারীদের হাঁটার পথ (ফুটপাত), মাঠের চারপাশে নর্দমাব্যবস্থা (ড্রেনেজ) ও লেকের পাড়ে হাঁটার পথ (ওয়াকওয়ে) নির্মাণ, মাঠে ফুটবল ও ক্রিকেট খেলার জন্য সুবিধাসংবলিত অনুষঙ্গের সৃষ্টি এবং অনুশীলনের জন্য জাল (নেট) স্থাপন ইত্যাদি বহুবিধ কর্মযজ্ঞ চলমান।
বিজ্ঞপ্তিতে আরও বলা হয়, ২০১৮ সালে প্রকল্প বাস্তবায়ন শুরু হওয়ার পর ২০১৯ সালে কলাবাগান মাঠে বিশেষ বিবেচনায় মাঠের ক্ষয়ক্ষতি না করা এবং ক্ষয়ক্ষতি সাধিত হলে তার যথাযথ ক্ষতিপূরণ প্রদান করার শর্তে দুর্গাপূজা আয়োজনের অনুমতি দেওয়া হয়। কিন্তু দুর্গাপূজার কারণে মাঠের যে অংশে দুর্গাপূজা আয়োজন করা হয়, সেই অংশের ঘাস সম্পূর্ণভাবে নষ্ট হয়ে যায়, পূজা আয়োজনে খোঁড়াখুঁড়ির ফলে মাঠ ভরাটে ব্যবহৃত বালু সরিয়ে ফেলায় মাটির নিচের থাকা খোয়া বেরিয়ে আসে, মাটির নিচে স্থাপিত পাইপ ব্যাপক ক্ষতিগ্রস্ত হয় এবং পুরো মাঠ ময়লা-আবর্জনায় ভরে ওঠে। সামগ্রিকভাবে সে সময় ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ প্রায় ২৫ লাখ টাকার।






























