দেশে প্রথম ধাপের ইউনিয়ন পরিষদ (ইউপি) নির্বাচনের সময় স্থগিত করা পাঁচটি ইউপির নির্বাচন আগামী ২ নভেম্বর অনুষ্ঠিত হবে।
নির্বাচন কমিশনের (ইসি) উপ-সচিব মো. আতিয়ার রহমান ইতোমধ্যে ভোটগ্রহণের প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য সংশ্লিষ্ট রিটার্নিং কর্মকর্তা, জেলা নির্বাচন কর্মকর্তা ও জেলা প্রশাসকদের এ সংক্রান্ত চিঠি পাঠিয়েছেন।
চিঠিতে উল্লেখ করা হয়েছে, প্রধম ধাপে ঘোষিত নির্বাচনের ভোটগ্রহণের আগে চেয়ারম্যান পদে মনোনীত বৈধ প্রার্থীর মৃত্যু হওয়ায় স্থানীয় সরকার (ইউনিয়ন পরিষদ) আইন, ২০০৯-এর ধারা ২০ এবং স্থানীয় সরকার (ইউনিয়ন পরিষদ) নির্বাচন বিধিমালা, ২০১০ এর বিধি ১০ অনুসারে, পাঁচটি ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান, সংরক্ষিত ওয়ার্ডের সদস্য ও সাধারণ ওয়ার্ডের সদস্য পদে আগামী ২ নভেম্বর নির্বাচন অনুষ্ঠানের জন্য নির্বাচন কমিশন সিদ্ধান্ত প্রদান করেছেন।
ইউপিগুলো হলো- খুলনার পাইকগাছা উপজেলার হরিঢালী, বাগেরহাটের মোরেলগঞ্জের খাউলিয়া, কচুয়া উপজেলার কচুয়া ও রামপালের রাজনগর এবং সুনামগঞ্জের ছাতক উপজেলার ভাতগাঁও ইউনিয়ন।
এতে আরও বলা হয়েছে, চেয়ারম্যান পদে ইতোপূর্বে যারা মনোনয়নপত্র দাখিল করেছিলেন তাদের নতুন করে দাখিলের প্রয়োজন হবে না এবং আগে মনোনয়নপত্র দাখিলকারীকে নতুনভাবে মনোনয়নপত্র দাখিল/প্রত্যাহারের সুযোগ দেওয়া যাবে। সংরক্ষিত ওয়ার্ডের সদস্য ও সাধারণ ওয়ার্ডের সদস্য পদে আগের মনোনয়নপত্রগুলোই বহাল থাকবে। বিদ্যমান প্রার্থীদের মধ্যেই নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে অর্থাৎ শুধুমাত্র চেয়ারম্যান পদে নতুনভাবে মনোনয়নপত্র দাখিল করা যাবে।
আগামী ২ নভেম্বর ১০টি পৌরসভার সাধারণ নির্বাচন, সিরাজগঞ্জ-৬ আসনের উপ-নির্বাচনও অনুষ্ঠিত হবে।
প্রথম ধাপে ৩৬৪টি ইউপির ভোট হয়েছে। দ্বিতীয় ধাপে আগামী ১১ নভেম্বর দেশের ৮৪৮টি ইউপির ভোট হবে। আরও প্রায় সোয়া তিন হাজার ইউপিতে ভোটগ্রহণ করতে হবে ইসিকে।






























