সাংবাদিকরা ভুতুড়ে পত্রিকা বন্ধের দাবি জানিয়েছেন বলে মন্তব্য করেছেন তথ্য ও সম্প্রচারমন্ত্রী ড. হাছান মাহমুদ।
মঙ্গলবার (১৪ সেপ্টেম্বর) বিকেলে রাজধানীর ধানমন্ডিতে আওয়ামী লীগ সভাপতির রাজনৈতিক কার্যালয় সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে হাছান মাহমুদ এ মন্তব্য করেন।
আজকে ১০টি জাতীয় দৈনিক পত্রিকার ডিক্লারেশন বাতিল করা হয়েছে, এ বিষয়ে সরকারের বক্তব্য কী? গণমাধ্যমকর্মীর এমন প্রশ্নের জবাবে মন্ত্রী আরও বলেন, “বাংলাদেশে ৪০০ পত্রিকা গত দুই বছরে একটি কপিও ডিএফপিতে জমা দেয়নি। কিন্তু ডিক্লারেশন আছে। অর্থাৎ দুই বছরে একটি কপিও বের হয়নি।”
মন্ত্রী আরও বলেন, “ভুতুড়ে পত্রিকা বন্ধের দাবি সাংবাদিকদের পক্ষ থেকেই দেওয়া হয়েছে। ভুতুড়ে পত্রিকাগুলোর কারণে মূল ধারার ভালো পত্রিকা বঞ্চিত। আর কিছু পত্রিকা আছে যেগুলো বিজ্ঞাপণ যেদিন পায় সেদিন ছাপে। বিভিন্ন জায়গায় তদবির করে বেড়ায়। বিজ্ঞাপণ জোগাড় করে। সেদিন ছাপায়। অন্যদিন ছাপায় না। এ সমস্ত পত্রিকা প্রকৃতপক্ষে তো পত্রিকা নয়।”
হাছান মাহমুদ আরও বলেন, “আরও কিছু পত্রিকা আছে যা গুটি কয়েক কপি ছাপানো হয়। সেটা তথ্য মন্ত্রণালয়সহ গুরুত্বপূর্ণ কয়েকটি মন্ত্রণালয়ে দেওয়া হয়। ওই পত্রিকাগুলো আর জনগণ দেখে না। এই ভৌতিক পত্রিকার প্রয়োজন আছে কিনা সেটি হচ্ছে একটি বড় প্রশ্ন।”
জাতীয় প্রেসক্লাবের সভাপতি ও সম্পাদকসহ ৪ সংগঠনের ১১ সাংবাদিক নেতার ব্যাংক হিসাব তলবের বিষয়ে হাছান মাহমুদ বলেন, “যে ১১জন সাংবাদিকের হিসাব চাওয়া হয়েছে এ বিষয়ে বিস্তারিত আমি কিছুই জানি না। কেন এটা হলো সেই খবরটা নেওয়ার চেষ্টা করব। কেন হঠাৎ করে তাদের হিসাব তলব করা হলো? তাছাড়া সরকার যে কারো হিসাব চাইতেই পারে। চাওয়াটা অবশ্যই অপরাধ না। তবে কেন এটি করা হলো সেটি আমি খোঁজ নিয়ে বলতে পারব।”































