বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার রোগমুক্তি কামনায় আগামী মঙ্গলবার (১৬ নভেম্বর) সারাদেশে দোয়া মাহফিলের আয়োজনকে নতুন কর্মসূচি হিসেবে ঘোষণা করেছে বিএনপি।
রোববার (১৪ নভেম্বর) দুপুরে জাতীয় প্রেসক্লাবের সামনে অনুষ্ঠিত এক মানববন্ধন অনুষ্ঠানে এই কর্মসূচি ঘোষণা করেন দলটির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী আহমেদ।
এদিন জাতীয় প্রেসক্লাবের সামনে বিএনপি ও এর অঙ্গসংগঠনগুলো দলের সকল নেতাকর্মীর নিঃশর্ত মুক্তির দাবিতে মানববন্ধন কর্মসূচি পালন করে। এতে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন রিজভী আহমেদ।
মানববন্ধনে রিজভী বলেন, “বিএনপি নয় বরং বর্তমান সরকার দেশের জনগণের বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্রে লিপ্ত রয়েছে।”
শনিবার (১৩ নভেম্বর) বেগম খালেদা জিয়াকে চিকিৎসার জন্য হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়েছে উল্লেখ করে তিনি বলেন, বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়াকে তিলে তিলে শেষ করে দেয়ার গভীর ষড়যন্ত্র হচ্ছে।
বিএনপিসহ দলের সকল নেতা কর্মীকে রাজনৈতিক প্রতিহিংসার কারণে মামলা দিয়ে কারাগারে রাখা হয়েছে উল্লেখ করে দলটির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব বলেন, “বিএনপির তরুণ নেতারা রাজপথে হাঁটলে সরকার ভীত হয়। সেজন্যই সাবেক ছাত্র নেতা রাজীব আহসানসহ বিএনপির সকল নেতাকর্মীর উপর হামলা মামলা চালাচ্ছে সরকার।”
এ সময় বর্তমান সরকারকে নিশি রাতের সরকার উল্লেখ করে রিজভী বলেন, “যারা গণতন্ত্রকে হত্যা করে ক্ষমতা দখল করেছে তারা ক্ষমতায় টিকে থাকতে জনগণের গণতান্ত্রিক অধিকার রুদ্ধ করার খেলায় মেতেছে।”
রিজভী আরো বলেন, “আমরা সুলতানা রাজিয়ার কথা শুনেছি। সরকার কি সুলতানা রাজিয়া হতে চাচ্ছেন? আপনাদের গণতন্ত্রের দরকার নাই, ভোটের দরকার নাই, নির্বাচনের দরকার নাই। এখন সুলতানা রাজিয়া হয়ে জমিদারের শাসন কায়েম করতে চান। এটা বাংলাদেশ কোনো দিন হতে দিবে না। বাংলাদেশ কোনো স্বৈরশাসককে বেশি দিন টলারেট করেনি। আপনার সরকার পতনের সাইরেন চারিদিকে বাজছে।”
এ সময় আয়োজক সংগঠন স্বাধীনতা ফোরামের সভাপতি আবু নাসের মোহাম্মদ রহমতুল্লাহর সভাপতিত্বে মানববন্ধনে অন্যদের মধ্যে বাংলাদেশ জাতীয় দলের চেয়ারম্যান অ্যাডভোকেট সৈয়দ এহসানুল হুদা, বিএনপির প্রচার সম্পাদক শহীদ উদ্দিন চৌধুরী এ্যানি, যুবদলের সাধারণ সম্পাদক সুলতান সালাউদ্দিন টুকু, কৃষকদলের সাধারণ সম্পাদক শহিদুল ইসলাম বাবুল, ছাত্রদলের সাবেক সাধারণ সম্পাদক হাবিবুর রশিদ হাবিব, আকরামুল হাসান মিন্টু, ছাত্রদলের সভাপতি ফজলুল হক খোকন, সাধারণ সম্পাদক ইকবাল হোসেন শ্যামলসহ অনেকে বক্তৃতা করেন।
































