• ঢাকা
  • শনিবার, ২০ জুলাই, ২০২৪, ৪ শ্রাবণ ১৪৩১, ১৩ মুহররম ১৪৪৫

ইভটিজিংয়ের প্রতিবাদ করায় খুন হন আলিফ 


সংবাদ প্রকাশ প্রতিবেদক
প্রকাশিত: এপ্রিল ৬, ২০২২, ০৩:২৯ পিএম
ইভটিজিংয়ের প্রতিবাদ করায় খুন হন আলিফ 

খুলনার ফুলতলা উপজেলার মোজাম মহলদার (এমএম) কলেজের সমাজকর্ম বিভাগের ছাত্র সৈয়দ আলিফ রোহান হত্যায় দুজনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশের অপরাধ তদন্ত বিভাগ (সিআইডি)। 

মঙ্গলবার (৪ এপ্রিল) ঢাকার আশুলিয়া থানার গাজীর চট এলাকা থেকে কলেজছাত্র তাছিন মোড়ল ও সাব্বির ফরাজীকে গ্রেপ্তার করা হয়।

সিআইডি জানায় শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের বার্ষিক ক্রীড়া প্রতিযোগিতার সময় ইভটিজিং ও হট্টগোলের প্রতিবাদ করায় আলিফকে হত্যা করা হয়। পরে এই ঘটনায় একটি হত্যা মামলা হয়। 

বুধবার (৬ এপ্রিল) রাজধানীর মালিবাগে সিআইডির প্রধান কার্যালয়ে এক সংবাদ সম্মেলন এসব কথা বলেন সিআইডির বিশেষ পুলিশ সুপার মুক্তা ধর। 

মুক্তা ধর জানান, ঘটনাটি দেশজুড়ে বেশ চাঞ্চল্যের সৃষ্টি করলে সিআইডি ছায়াতদন্ত শুরু করে। একপর্যায়ে সংগৃহীত বিভিন্ন তথ্য-উপাত্ত বিশ্লেষণ করে ঘটনার সঙ্গে রি-ইউনিয়ন স্কুল এন্ড কলেজে অধ্যয়নরত তাছিন ও সাব্বিরসহ কয়েকজনের সংশ্লিষ্টতা পাওয়া যায়। এরপর সিআইডির এলআইসির একটি দল ঢাকার আশুলিয়া থানার গাজীর চট এলাকা থেকে তাদের গ্রেপ্তার করে। প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে তারা হত্যার দায় স্বীকার করেছে। 

সিআইপিএর এই কর্মকর্তা আরও জানান, ফুলতলার পায়গ্রাম কসবার বাসিন্দা আলিফের বাড়ির পাশে ‘রহমানিয়া এলিমেন্টারি স্কুল’ নামে একটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে বার্ষিক ক্রীড়া প্রতিযোগিতা চলছিল। এই মামলার আসামিরা ওই অনুষ্ঠানে গিয়ে মেয়েদের উত্যক্ত করাসহ হট্টগোল করতে থাকলে আলিফ এলাকার অন্য ছেলেদের নিয়ে তার প্রতিবাদ করেন। এরই ধারাবাহিকতায় তাছিন, সাব্বির ও শান্ত গাজীসহ অন্যরা আলিফকে দেখে নেওয়ার হুমকি দেয়। গত ৩১ মার্চ সকালে পূর্ব পরিকল্পনা অনুযায়ী আসামিরা আলিফকে এমএম কলেজ মাঠে আক্রমণ করে। সাব্বিরের নির্দেশে তাছিন হাতে থাকা ধারালো ছুরি দিয়ে আলিফের বুকের ডান পাশে আঘাত করে। অন্যরাও বিভিন্নভাবে তাকে আঘাত করে। পরে গুরুতর আহত অবস্থায় সহপাঠীরা তাকে ফুলতলা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে স্থানান্তরের পরামর্শ দেন। সেখানে নেওয়ার পর হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ তাকে মৃত ঘোষণা করে।

Link copied!