• ঢাকা
  • বুধবার, ১৯ জুন, ২০২৪, ৫ আষাঢ় ১৪৩১, ১২ জ্বিলহজ্জ ১৪৪৫

অন্ধকারের কবিতা


সঞ্চারী গোস্বামী
প্রকাশিত: জুলাই ২৮, ২০২১, ০৫:৫৬ পিএম
অন্ধকারের কবিতা

এ ঘোর রাতকালো ব্যস্ত অসময় কাটছে দিন আর নিভছে আঁচ
এ কোন ছাতাপড়া উগরে দেওয়া ভিড়ে পেষাই হয়ে খুঁজি মৃত্যুফাঁদ!
আমার হাতে কোনো যাদুর ছড়ি নেই, জন্মে মুখে নেই সোনা-চামচ
আমার ট্যাঁকে কানাকড়িও পড়ে নেই, টাকা তো কোথাকার সুদূর-অস্ত।
আমার পা-দুটিই মাটিতে প্রাণপণ, মাটিতে বুনে চলে লক্ষ্মীছাপ,
মাধ্যাকর্ষণ নিয়ম মেনে চলে, তেমনই মেনে চলে দু-পিস হাত।
কিন্তু মগজেই একটা প্রজাপতি যেই না ঝাপটেছে ডানাগুলো
কে জানে কোত্থেকে উঠল তাণ্ডব, কে জানে কোত্থেকে ঝড় এলো!
ঝড়ের ধুলো মেখে আমি-ই আমি নেই, হাত-পা বশে রাখি কেনই বা!
হাতটি মুঠো হয়ে আকাশে উঠতেই মাটিও পদাঘাতে অতিষ্ট
এতেই দেশদ্রোহী হয়েছি অতএব, এতেই খুইয়েছি যেটুকু যা
এতেই হাড়িকাঠে গলাটি দেব বলে মনকে শানিয়েছি যথেষ্ট।

মগজ খুলে রেখে, দুহাতে তেল মেখে যারা তা মাখিয়েছে নানান পায়
মুখোশে মুখ ঢেকে, আকাশে চোখ রেখে, ডানায় ভর দিয়ে ‘উড় গ্যায়া’।

Link copied!