ভয় দেখিয়ে তদন্ত নষ্টের চেষ্টা, দাবি সমীর ওয়াংখেড়ের


সংবাদ প্রকাশ ডেস্ক
প্রকাশিত: অক্টোবর ২৫, ২০২১, ০২:৪৩ পিএম
ভয় দেখিয়ে তদন্ত নষ্টের  চেষ্টা, দাবি সমীর ওয়াংখেড়ের

সিনেমা স্টাইলে প্রমোদতরিতে অভিযান চালিয়ে শাহরুখ খানের ছেলে আরিয়ান খানকে গ্রেপ্তার করেন নারকোটিক্স কন্ট্রোল ব্যুরোর (এনসিবি) জোনাল ডিরেক্টর সমীর ওয়াংখেড়ে। এরপর থেকে টক অব দ্য কান্ট্রি তিনি। গণমাধ্যমের শিরোনামেও চলে আসেন তিনি।

তবে আরিয়ানকে গ্রেপ্তারের পর নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছেন সমীর। জিনিউজ ইন্ডিয়া জানিয়েছে, আদালতে হলফনামা জমা দিয়েছেন সমীর। সেখানে তিনি উল্লেখ করেন, তাকে ভয় দেখিয়ে তদন্ত নষ্টের চেষ্টা করা হচ্ছে।

এর আগে এনসিবি সমীর ওয়াংখেড়ের বিরুদ্ধে বিস্ফোরক অভিযোগ আনেন মাদক মামলার এক প্রত্যক্ষদর্শী। আরিয়ানের বিরুদ্ধে কথা বলার জন্য কোটি কোটি টাকা অফার করা হচ্ছে বলে দাবি তার।

আরিয়ান খানকে আটক করার পরই সোশ্যাল মিডিয়ায় ভাইরাল হয়ে যায় এক ব্যক্তির সঙ্গে আরিয়ানের সেলফি। প্রথমে সবাই ভাবে ওই ব্যক্তি এনসিবির আধিকারিক, কিন্তু পরবর্তীকালে জানা যায় ওই ব্যক্তি এনসিবির কেউ নন। তার নাম কিরণ পি গোসাভি। এ ঘটনার পর থেকেই পলাতক কিরণ পি গোসাভি। এনসিবির পক্ষ থেকে জানানো হয়, আরিয়ানের বিরুদ্ধে মূল সাক্ষী ওই ব্যক্তি। এবার এনসিবির বিরুদ্ধে মুখ খুললেন কিরণের দেহরক্ষী প্রভাকর সেইল। তিনি জানিয়েছেন, আরিয়ানের বিরুদ্ধে সাক্ষী দেওয়ার জন্য ১৮ কোটি টাকার চুক্তি করেছে এনসিবি।

প্রভাকরের দাবি কিরণকে দিয়ে ফাঁকা পাতায় সই করিয়েছে এনসিবি আধিকারিকরা। স্যাম ডিসুজা নামের কোনো ব্যক্তির সঙ্গে কথা বলেছিলেন কিরণ। এমনকি সমীর ওয়াংখেড়ের বিরুদ্ধে ৮ কোটি টাকা ঘুষ নেওয়ার অভিযোগ এনেছেন তিনি। প্রভাকরের বক্তব্য তিনি নিজেই কিরণের থেকে নগদ টাকা নিয়ে তা স্যামের হাতে তুলে দিয়েছেন।

এনসিবির প্রেস রিলিজে প্রভাকর সেইলকে সাক্ষী হিসেবে উল্লেখ করেছিল এনসিবি। এবার তার এ বক্তব্যে সমস্যায় সেন্ট্রাল এজেন্সি।

যদিও প্রভাকরের এই অভিযোগ উড়িয়ে দিয়েছেন এনসিবি মুম্বাই জোনাল ডিরেক্টর সমীর ওয়াংখেড়ে। এই অভিযোগের উত্তরে তিনি বলেন, সময় এলে এর যথাযথ উত্তর দেবে এনসিবি। এ অভিযোগকে ভিত্তিহীন বলার পাশাপাশি তিনি বলেন, এনসিবি অফিসে অনেক সিসিটিভি আছে, এতো সহজে সব হওয়া সম্ভব নয়। কিন্তু সমীর ওয়াংখেড়ের বক্তব্যেও বিতর্ক থামছে না। কারণ বলিউডের একাংশ এবং বেশ কিছু রাজনীতিবিদ দাবি করেছেন, শাহরুখের ছেলেকে মিথ্যা মামলায় ফাঁসানো হয়েছে।

Link copied!