জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কারের জন্য প্রতিবছর বিশেষ ব্যক্তিদের নিয়ে গঠন করা হয় জুরি বোর্ড। এরই ধারাবাহিকতায় এবারও গঠন করা হয়েছে জুরি বোর্ড। ১৩ সদস্যের এ বোর্ডে চলচ্চিত্র অঙ্গনের বিভিন্ন ব্যক্তিসহ থাকছেন সরকারী কর্মকর্তারা।
যারা জুরি বোর্ডে থাকছেন— তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়ের প্রশাসন ও চলচ্চিত্র বিভাগের অতিরিক্ত সচিব এবং চলচ্চিত্র বিভাগের যুগ্মসচিব, বাংলাদেশ চলচ্চিত্র উন্নয়ন কর্পোরেশনের ব্যবস্থানপনা পরিচালক, বাংলাদেশ ফিল্ম আর্কাইভের মহাপরিচালক, জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের নাটক ও নাট্যতত্ত্ব বিভাগের চেয়ারম্যান, চলচ্চিত্র পরিচালক মুশফিকুর রহমান গুলজার, গীতিকার ও সংগীত পরিচালক হাসান মতিউর রহমান, চিত্রগ্রাহক সংস্থার মহাসচিব আসাদুজ্জামান মজনু, চিত্রনায়ক রিয়াজ, চিত্রনায়িকা সুজাতা, সঙ্গীতশিল্পী মো.রফিকুল আলম, দৈনিক ভোরের কাগজের সম্পাদক শ্যামল দত্ত এবং বাংলাদেশ চলচ্চিত্র সেন্সর বোর্ডের ভাইস চেয়ারম্যান।
জুরি বোর্ডের সভাপতি হিসেবে থাকবেন তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব এবং সদস্য সচিব হিসেবে থাকছেন সেন্সর বোর্ডের ভাইস চেয়ারম্যান।
এ বোর্ড জমা পড়া ছবিগুলো দেখে চলচ্চিত্র, শিল্পী ও কলা-কুশলীদের নাম পুরস্কারের জন্য সুপারিশ করবে। আজীবন সম্মাননা ব্যতীত অন্যান্য পুরস্কারের জন্য বোর্ড একাধিক চলচ্চিত্র ও ব্যক্তির নাম সুপারিশ করতে পারবে। তারা চাইলে কোন ক্যাটাগরিতে পুরস্কার প্রদান থেকে স্থগিত থাকতে পারবে। তবে এর কারণ উল্লেখ করতে হবে।
এদিকে ২০২০ সালের জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার প্রতিযোগিতায় ১৪টি পূর্ণদৈর্ঘ্য সিনেমা জমা পড়েছে বলে জানিয়েছে বাংলাদেশ চলচ্চিত্র সেন্সর বোর্ড।
১৯ সেপ্টেম্বর বিকেল ৫টা পর্যন্ত গ্রহণ করে প্রযোজকদের কাছ থেকে আবেদনপত্র আহ্বান করে তথ্য মন্ত্রণালয়। বাংলাদেশ চলচ্চিত্র সেন্সর বোর্ডের সচিব মমিনুল হক জানিয়েছেন, করোনার কারণে তুলনায় কম সংখ্যক সিনেমা মুক্তি পেয়েছে। এবার ১৪টি পূর্ণদৈর্ঘ্য চলচ্চিত্র, ৭টি স্বল্পদৈর্ঘ্য ও ৬টি প্রামাণ্যচিত্র জমা পড়েছে।
১৪টি পূর্ণদৈর্ঘ্য সিনেমাগুলোর মধ্যে আছে—‘বীর’, ‘শাহেনশাহ’, ‘ঊনপঞ্চাশ বাতাস’, ‘গোর’, ‘বিশ্বসুন্দরী’, ‘একজন মহান নেতা’, ‘হলুদ বনি’, ‘গণ্ডি’, ‘রূপসা নদীর বাঁকে’, ‘আমার মা’, ‘চল যাই’, ‘জয়নগরের জমিদার’, ‘সুবর্ণরেখা’ ও ‘হৃদয় জুড়ে’।
৭টি স্বল্পদৈর্ঘ্য সিনেমার মধ্যে আছে—‘কোথায় পাব তারে’, ‘আতর’, ‘সাদা গোলাপ’, ‘ফেরা’, ‘আড়ং’, ‘দ্য স্কায়ার্স’ ও ‘আমার বাবার নাম’।
৬টি প্রামাণ্যচিত্রের মধ্যে আছে—‘স্বাধীনতার ডাকটিকিট’, ‘রথযাত্রার বাকি ইতিহাস’, ‘বঙ্গবন্ধুর রাজনৈতিক জীবন ও বাংলাদেশের অভ্যুদয়’, ‘বায়োগ্রাফি অব নজরুল’, ‘দ্য ফ্রন্ট পিয়ার্সম্যান ফজলুল হক’ ও ‘নীলমুকুট’।





































