করোনা মহামারি মধ্যে আমাদের শিক্ষার্থীদের মধ্যে যথেষ্ট স্বাস্থ্য সচেতনতাবোধ তৈরি হয়েছে, যা দরকার ছিল বলে মন্তব্য করেছেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের (ঢাবি) উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. আখতারুজ্জামান।
রোববার (১০ অক্টোবর) বেলা ১১টার দিকে বিশ্ববিদ্যালয়ের ড. মুহম্মদ শহীদুল্লাহ হল ও রোকেয়া হল পরিদর্শন শেষে উপাচার্য এসব কথা বলেন।
অধ্যাপক আখতারুজ্জামান বলেন, “পর্যায়ক্রমে আমরা আজ (রোববার) সব আবাসিক শিক্ষার্থীকে হলে তুলেছি। আমাদের শিক্ষার্থীদের মধ্যে যথেষ্ট স্বাস্থ্য সচেতনতাবোধ তৈরি হয়েছে। মহামারি প্রতিরোধে এটি দরকার ছিল।”
টিকা বিষয়ে উপাচার্য বলেন, “শিক্ষার্থীদের সঙ্গে কথা বলেছি, তারা দুই ডোজ টিকাও নিয়েছে। হল প্রশাসনও যথাযথ স্বাস্থ্যবিধি মানার প্রতি তাগিদ দিচ্ছেন।”
স্বাস্থ্যবিধি মানা ও টিকা নেওয়ার ধারাটা যদি অব্যাহত থাকে, তাহলে বড় ধরনের ঝুঁকি থাকবে না বলে তিনি মন্তব্য করেছেন।
গণরুম স্বাস্থ্যবিধির পরিপন্থী উল্লেখ আখতারুজ্জামান বলেছেন, “গণরুমের বিষয়ে হল প্রশাসন একটি বিশেষ উদ্যোগ গ্রহণ করেছে। কোনোভাবেই যাতে আগের মতো ঠাসাঠাসি করে শিক্ষার্থীরা হলে প্রবেশ না করে। এটি স্বাস্থ্যবিধি পরিপন্থী। অন্যদিকে শিক্ষার্থীদের জীবনমানের ওপর নেতিবাচক প্রভাব পড়ে।”
হল সংকট নিরসনের বিষয়ে উপাচার্য বলেন, “কথিত গণরুম শিক্ষার্থীদের জন্য কোনোভাবেই কাম্য নয়। হল সমস্যা নিরসনে প্রশাসন বিশেষ উদ্যোগ নিয়েছে। এ উদ্যোগ বাস্তবায়নে পাশাপাশি সংশ্লিষ্ট সব মহলের সহযোগিতা খুবই জরুরি।”
উপাচার্য আরও বলেন, “হল সমস্যা নিরসনের উদ্যোগটি তখনই সফল হবে, যখন শিক্ষার্থীসহ সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন স্টকহোল্ডারদের ইতিবাচক ভূমিকা থাকবে। তাহলে দীর্ঘদিনের এই সংকট থেকে আমরা মুক্ত হতে পারব।”
আজ সকালে প্রথম, দ্বিতীয় ও তৃতীয় বর্ষের ছাত্রদের হলে উঠতে দেখা যায়। ফল, চকলেট ও মাস্ক দিয়ে বরণ করে হল প্রশাসন।































