নওগাঁয় বেড়েছে চালের দাম। গত ১৪ দিনে কেজিপ্রতি চালের দাম ৪-৫ টাকা বেড়েছে। মণে বেড়েছে ২০০-২৫০ টাকা। তবে সচেতন মহল বলেন, সিন্ডিকেটের কারণে বেড়েছে চালের দাম।
দেখা যায়, ৬০ টাকার মিনিকেট বা জিরাশাইল জাতের চাল এখন বিক্রি হচ্ছে ৬৬ টাকায়, ৬৪ টাকার কাটারিভোগ বিক্রি হচ্ছে ৭১ টাকায়, ৪২ টাকার স্বর্ণা-৫ হাইব্রিড জাতের চাল বিক্রি হচ্ছে ৪৬-৪৮ টাকায়।
এক সপ্তাহ আগে ৫০ কেজির জিরাশাইল চালের বস্তা বিক্রি হয়েছে ২ হাজার ৬০০ টাকায়। সে চাল এখন ১০০ টাকা বেড়ে বিক্রি হচ্ছে ২ হাজার ৭০০ টাকা। বস্তাপ্রতি কাটারিভোগ ১০০ টাকা, ব্রিআর-২৮ চাল ২০০ টাকা ও স্বর্ণা-৫ হাইব্রিড চাল ১০০-১৫০ টাকা বেড়েছে।
নওগাঁ সদর উপজেলার তাজের মোড় এলাকার আমজাদ বলেন, “পরিবারের পাঁচ সদস্যের জন্য প্রতিদিন পৌনে দুই কেজি চাল লাগে। চালের দাম বাড়ায় সামান্য আয়ে বেগ পেতে হচ্ছে। ইচ্ছে থাকলেও বেশি ব্যয় করা সম্ভব না।”
পৌর খুচরা চাল বাজারের আহাদ ট্রেডার্সের স্বত্বাধিকারী মো. মামুনুর রশিদ বলেন, “ঈদের আগের তুলনায় বস্তাপ্রতি চালের দাম ২০০-২৫০ টাকা বেড়েছে। পাইকারি বাজারে দাম বাড়ায় আমাদের বেশি দামে বিক্রি করতে হচ্ছে।”
নওগাঁর পৌর খুচরা চাল ব্যবসায়ী সমিতির সভাপতি উত্তম কুমার সরকার বলেন, “মোকাম থেকে বেশি দামে চাল কিনতে হচ্ছে। এজন্য খুচরা বাজারেও দাম বেড়েছে। তবে আমন মৌসুমের নতুন চাল এখনো বাজারে আসেনি।”
নওগাঁ চালকল মালিক গ্রুপের সাধারণ সম্পাদক ফরহাদ হোসেন চকদার বলেন, “দেশে ধানের উৎপাদন বৃদ্ধি ছাড়া বাজার নিয়ন্ত্রণ করা সম্ভব নয়।”
জেলার খাদ্য নিয়ন্ত্রক জিএম ফারুক হোসেন পাটোয়ারী বলেন, “অবৈধ মজুত রেখে চালের দাম বৃদ্ধি করছে কি না, তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে। অবৈধ মজুতের প্রমাণ পেলে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।”

![২০২৬ বিশ্বকাপ ফুটবলের চূড়ান্ত সূচি [বাংলাদেশী সময় অনুযায়ী]](https://www.songbadprokash.com/media/imgAll//SM/২২২২২২২-20260603084825.jpg)












