• ঢাকা
  • রবিবার, ১৯ মে, ২০২৪, ৫ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩১,

ফসলের মাঠে কৃষকের বুক ভরা স্বপ্ন


নওগাঁ প্রতিনিধি
প্রকাশিত: এপ্রিল ৩, ২০২৩, ০৩:৩৯ পিএম
ফসলের মাঠে কৃষকের বুক ভরা স্বপ্ন

শস্যভান্ডারখ্যাত নওগাঁ জেলায় বিস্তীর্ণ মাঠজুড়ে চাষ করা হচ্ছে বোরো ধান। সোনালি ফসলের আশায় বুক বেঁধেছেন চাষিরা। এখন জমিতে সার-কীটনাশক প্রয়োগসহ পরিচর্যায় ব্যস্ত সময় পার করছেন তারা। এই দৃশ্য দেখলে মনে হবে যেন ফসলের মাঠে উঁকি দিচ্ছে কৃষকের রঙিন স্বপ্ন।

মাঠে গিয়ে দেখা যায়, নওগাঁর মাঠে মাঠে ইরি-বোরো ধানের ক্ষেতগুলো লালচে থেকে সবুজ হয়ে উঠেছে। কৃষকরা অনেক ক্ষেতে পানি দিচ্ছে। অনেকে আবার 
নিড়ানি ও কীটনাশক প্রয়োগে ব্যস্ত।

জানা গেছে, নওগাঁর অধিকাংশ মানুষ কৃষির ওপর নির্ভরশীল। সবজিসহ বিভিন্ন ফসল উৎপাদন করলেও, ধানই এখানকার প্রধান ফসল। যুগ যুগ ধরে ধান উৎপাদন করে আসছেন এখানকার কৃষকরা। এ ফসল দিয়ে চলে তাদের সংসার। গত বছর বন্যায় এই অঞ্চলের প্রায় ৫ লক্ষাধিক মানুষের ক্ষতি হয়। সেই ক্ষতি পুষিয়ে নিতে চলতি মৌসুমে আলু আবাদ শেষ করে ওই জমিতে কৃষকরা রোপণ করেছেন বোরো ধান।

মান্দা উপজেলার কৃষক হাবিবুর রহমান জানান, “গত বছরের বন্যার ক্ষতি পূরণের আশায় ধার-দেনা করে বোরো ধানের আবাদ করেছি। প্রাকৃতিক দুর্যোগ না হলে এবার অধিক ফসল ঘরে তোলা যেতে পারে।”

নিয়ামতপুর উপজেলার কৃষক সজল মিয়া বলেন, ধানক্ষেতে দুই দফায় সার-কীটনাশক প্রয়োগ করা হয়েছে। ধানগাছের রং দেখে বোঝা যাচ্ছে এবার ভালো ফলন পাওয়া যেতে পারে। সরকার যদি ন্যায্য দাম দেয়, তাহলে লাভবান হওয়া সম্ভব।

এ ব্যাপারে নওগাঁ কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপপরিচালক আবু কালাম আজাদ জানান, চলতি মৌসুমে নওগাঁয় ১১টি উপজেলায় বোরো আবাদের লক্ষ্য মাত্রা ছিল ১৮ লাখ ৯ হাজার ১০০ হেক্টর। আবাদ হয়েছে ১৯ লাখ ৯৫০ হেক্টর জমিতে। ভালো ফলন পেতে কৃষকদের সর্বাত্মক সহযোগিতা করা হচ্ছে।

Link copied!