কুড়িগ্রামের উলিপুরে কয়েকটি মন্দিরে ভাঙচুর ও অগ্নিসংযোগের ঘটনা ঘটেছে। এতে আতঙ্কিত হয়ে পড়েছে স্থানীয় হিন্দু সম্প্রদায়।
বুধবার (১৩ অক্টোবর) সন্ধ্যায় উলিপুর বড় মসজিদ থেকে বিক্ষোভ মিছিল বের করে বিক্ষুব্ধ মুসল্লিরা। পুলিশ বিক্ষোভকারীদের ছত্রভঙ্গ করে দেয়। এরপর রাত সাড়ে নয়টার দিকে শহরের বিভিন্ন স্থানে বিক্ষোভ করে জনতা। এ সময় কয়েকটি মন্দিরে ভাঙচুর করে তারা।
গুনাইগাছ ইউনিয়নের নেফরা মন্দির কমিটির সভাপতি নৃপেন্দ্রনাথ বর্মণ বলেন, ১১টার পরে সন্ধিপূজার প্রস্তুতি চলছিল এমন সময় মিছিল এসে ভাঙচুর করে।
থেতরাই ইউনিয়নের হোকডাঙা ভরতপাড়া মন্দিরেও ভাঙচুর ও অগ্নিসংযোগ করা হয়। কমিটির সদস্য পলাশ জানান, প্রথমে আসলে পুলিশ ও স্থানীয়রা তাদের ঢুকতে না দিলে তারা চলে যায়। এর কিছুক্ষণ পর বিদ্যুৎ চলে যাওয়ার পর হাজারখানেক মানুষ লাঠিসোঁটা নিয়ে ভাঙচুর চালায়। অনেককে মারধর করে।
হোকডাঙা ভরতপাড়া সর্বজনীন দুর্গামন্দিরের সাধারণ সম্পাদক কমলেন্দু রায় জানান, রাত ১২টার দিকে লাঠিসোঁটা নিয়ে একদল লোক এসে মন্দিরে প্রতিমা ভাঙচুর চালায়। এছাড়া পাশের বাড়িতে হামলা করে তারা।
পশ্চিম কালুডাঙ্গা ব্রাহ্মণপাড়া সর্বজনীন মন্দিরের পুরোহিত জীবন কৃষ্ণ চন্দ্র চক্রবর্তী বলেন, রাত সাড়ে ১০টার দিকে প্রায় ১ হাজার মানুষ এসে মন্দিরে হামলা করে প্রতিমাসহ সব কিছু ধ্বংস হয়ে করে দেয়।
উলিপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) ইমতিয়াজ কবীর জানান, তিনটি মন্দিরে ভাঙচুর করেছে। নিরাপত্তা বাড়ানো হয়েছে।







































