সেতু চলাচলে অনুপযোগী হওয়ায় বন্ধ রয়েছে যানবাহন চলাচল। তবে বিকল্প না থাকায় ঝুঁকি নিয়েই নিয়মিত চলাচল করছেন মানুষজন। এতে করে যে কোনো সময় বড় ধরনের দুর্ঘটনা ঘটার আশঙ্কা রয়েছে। এমনি চিত্র দেখা গেছে সুনামগঞ্জের জগন্নাথপুর উপজেলা সদরের নলজুর নদীতে ডাকবাংলো এলাকায় নলজুর সেতুতে।
খোঁজ নিয়ে জানা যায়, ডাকবাংলো এলাকায় সেতুর পিলারের কাছ থেকে সম্প্রতি অপরিকল্পিতভাবে খনন করে একটি ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান। খননের ফলে সেতুর মাঝখানের দুইটি পিলার চলতি বছরের ১৭ এপ্রিল দেবে যায়। পরে স্থানীয় প্রশাসন ওই সেতু দিয়ে সবধরনের চলাচল বন্ধ করে দেয়। এরপর ৯ সময় পার হলেও সেতুটি মেরামত করা হয়নি।
সেতুটি ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে পড়লেও এটিই স্থানীয়দের চলাচলে একমাত্র অবলম্বন। ফলে অতিরিক্ত যান চলাচলের চাপে প্রতিদিনই সেতুর দুই পাশের এলাকায় তীব্র যানজট সৃষ্টি হচ্ছে। এর তীব্রতা শহরেও ছড়িয়ে পড়ে। যে কারণে চরম ভোগান্তিতে পড়েছেন জনসাধারণ।

স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তর (এলজিইডি) সূত্রে জানা গেছে, ১৯৮৯ সালে নলজুর নদীর ওপর ত্রাণ মন্ত্রণালয়ের উদ্যোগে একটি সেতু নির্মাণের উদ্যোগ নেওয়া হয়। ১৯৯২ সালে ব্যবসায়ীদের অর্থে সেতু নির্মাণের কাজ শুরুর পর সেতুর পাঁচটি পিলার তৈরি করা হয়। ১৯৯৬ সালে আওয়ামী লীগ ক্ষমতায় এলে স্থানীয় সাংসদ আবদুস সামাদ আজাদ এলজিইডিকে সেতুর অসমাপ্ত কাজ শেষ করার নির্দেশ দেন। এরপর এলজিইডির তত্ত্বাবধানে সেতুর কাজ শেষ হলে ১৯৯৬ সালে সেতুটি উদ্বোধন হয়।
নলজুর নদীর পূর্ব পাড়ের বাসিন্দা রাকিব মিয়া বলেন, “সেতুটি ঝুঁকিপূর্ণ অবস্থায় আছে। সেতুটি সংস্কারে পৌর কর্তৃপক্ষ কিংবা স্থানীয় সরকার প্রকৌশলী অধিদপ্তর আজও কোনো পদক্ষেপ না নেওয়ায় আমরা চরম ভোগান্তিতে পড়েছি।”
এলজিইডির জগন্নাথপুর উপজেলা প্রকৌশলী সোহরাব হোসেন জানান, দেবে যাওয়া সেতুটির স্থানে নতুন সেতু নির্মাণের জন্য সংশ্লিষ্ট ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষে লিখিতভাবে জানানো হয়েছে। দ্রুতই কাজ শুরু হবে।




































