পাবনায় রজনী খাতুন (১৮) নামের এক গৃহবধূকে নির্যাতন করে হত্যার অভিযোগ উঠেছে শ্বশুরবাড়ির লোকজনের বিরুদ্ধে।
রোববার (২৯ আগস্ট) সন্ধ্যায় পাবনা সদর উপজেলার দাপুনিয়া ইউনিয়নের শাহাদিয়া গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। ঘটনার পর থেকেই নিহতের স্বামী, শ্বশুর, শাশুড়ি পলাতক।
রজনী ওই গ্রামের শহিদুল ইসলামের স্ত্রী এবং পার্শ্ববর্তী গ্রামের রঞ্জু হোসেনের মেয়ে।
নিহত রজনীর মামাতো ভাই মাসুম কবির জানান, রোববার সন্ধ্যার একটু আগে একসঙ্গে পরিবারের সবাই বাড়ি থেকে বের হয়ে গেলে প্রতিবেশীদের সন্দেহ হয়। পরে আশপাশের লোকজন ঘরের ভেতরে গিয়ে দেখতে পায় মেয়েটি ঘরের আড়ার সঙ্গে ঝুলে আছে। পরে প্রতিবেশীরা থানায় খবর দিলে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে লাশ উদ্ধার করে।
রজনীর বাবা রঞ্জু হোসেন অভিযোগ করে বলেন, “প্রায় দুই বছর আগে আমার মেয়ের সঙ্গে পারিবারিক সম্মতিতে শহিদুল ইসলামের বিয়ে হয়। বিয়ের পর থেকেই যৌতুকের জন্য শ্বশুরবাড়ির লোকজন বিভিন্নভাবে চাপ প্রয়োগ করত। টাকা আনতে না চাইলে নির্যাতন করত। কান্না করতে করতে মাঝেমধ্যেই রজনী আমার বাড়িতে আসত। আমি টাকা দিয়ে পাঠালে কিছুদিন পর আবার নির্যাতন শুরু করত। আমার মেয়েকে হত্যা করে ফাঁসিতে ঝুলিয়ে আত্মহত্যা বলে চালানোর চেষ্টা করছে ছেলের পরিবার।”
পাবনা সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আমিনুল ইসলাম বলেন, “মেয়েটির লাশ উদ্ধার করে হাসপাতাল মর্গে রাখা হয়েছে। গলায় ফাঁসির দাগ রয়েছে। মেয়েটির পরিবার দাবি হত্যা করা হয়েছে। প্রকৃত ঘটনা ময়নাতদন্তের পর জানা যাবে, হত্যা নাকি আত্মহত্যা। ঘটনায় কেউ জড়িত থাকলে পরবর্তী সময়ে ব্যবস্থা নেওয়া হবে। মামলার প্রস্তুতি চলছে।”





































