• ঢাকা
  • সোমবার, ২৪ জুন, ২০২৪, ১০ আষাঢ় ১৪৩১, ১৭ জ্বিলহজ্জ ১৪৪৫

হত্যা মামলার প্রধান আসামি সুজন আটক


চুয়াডাঙ্গা প্রতিনিধি
প্রকাশিত: আগস্ট ৩, ২০২১, ০৬:০৫ পিএম
হত্যা মামলার প্রধান আসামি সুজন আটক

চুয়াডাঙ্গার দর্শনার আলোচিত ফ্রি-ফায়ার গেমস খেলাকে কেন্দ্র করে হত্যার প্রধান আসামি সুজনকে (২০) আটক করেছে পুলিশ।

হত্যাকাণ্ডের ৪৮ ঘণ্টা পর মঙ্গলবার ভোর পৌনে ৪টায় ঝিনাইদহ জেলার মহেশপুর উপজেলার সীমান্তবর্তী মানিকদিহি গ্রাম থেকে তাকে আটক করে দর্শনা থানা পুলিশ। হত্যাকাণ্ডের পর আসামি সুজন সীমান্ত দিয়ে ভারতে পালিয়ে যাওয়ার পরিকল্পনা করছিল বলে পুলিশ জানায়। 

মঙ্গলবার বিকেল ৩টায় দর্শনা থানায় এক সংবাদ সম্মেলনের মাধ্যমে বিষয়টি নিশ্চিত করে চুয়াডাঙ্গা জেলা পুলিশের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (সদর ও দামুড়হুদা সার্কেল) মো. জাহাঙ্গীর আলম। এ সময় আরও উপস্থিত ছিলেন দর্শনা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মাহবুবুর রহমান, পরির্দশক (তদন্ত ) শেখ মাহবুব, পরির্দশক (অপারেশন) আবু সাঈদসহ থানার অন্য কর্মকর্তারা।

গত ৩১ জুলাই দুপর দেড়টার দিকে দামুড়হুদা উপজেলার দর্শনা পৌরসভার ঈশ্বরচন্দ্রপুর গ্রামের আমজাদ হোসেনের ছেলে সুজন (২০), আশানুর রহমানের ছেলে জাকির হোসেন (১৬) ও শহিদুল ইসলামের ছেলে ইলফাজ (১৬) গ্রামের বড় মসজিদ মোড়ে দোকানে বসে মোবাইল ফোনে অনলাইনভিত্তিক ফ্রি-ফায়ার গেমস খেলছিল। এ সময় খেলা নিয়ে জাকিরের সঙ্গে সুজনের কথা কাটাকাটি হয়। একপর্যায়ে জাকিরের পক্ষে ইলফাজ কথা বললে সুজন ক্ষিপ্ত হয়ে জাকির ও ইলফাজকে মারধর করে। পরে ইলফাজের বাবা শহিদুল (৪৫) প্রতিবাদ করলে সুজন বাসা থেকে ছুরি এনে বাবা শহিদুল ও ছেলে ইলফাজকে ছুরিকাঘাত করে। এতে শহিদুল ও ইলফাজ মারাত্মকভাবে জখম হয়। এরপর পালিয়ে যায় সুজন। আহত শহিদুলকে উদ্ধার করে প্রথমে দামুড়হুদা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপেক্সে নেওয়া হয়। সেখানে শারীরিক অবস্থার অবনতি হলে পরে চুয়াডাঙ্গা সদর হাসপাতালে নেওয়ার পথে তার মৃত্যু হয়। নিহত শহিদুল ইসলাম ঈশ্বরচন্দ্রপুর গ্রামের তাহার আলীর ছেলে।

এ ঘটনায় নিহতের মেয়ে আমেনা খাতুন বাদী হয়ে দর্শনা থানায় ৬ জনকে (প্রধান আসামি সুজন, সুজনের বাবা আমজাদ হোসেন, মা বেলাহার বেগম, ভাই শামীম, বোন কাজল ও মামা সোলায়মান) আসামি করে একটি হত্যা মামলা করে।

Link copied!