• ঢাকা
  • শুক্রবার, ১৯ জুলাই, ২০২৪, ৪ শ্রাবণ ১৪৩১, ১২ মুহররম ১৪৪৫
জাতীয় সংসদ নির্বাচন

প্রবাসী দুলালকে চান বিএনপির নেতা-কর্মীরা


শেরপুর প্রতিনিধি
প্রকাশিত: এপ্রিল ২৩, ২০২২, ০৯:৪২ পিএম
প্রবাসী দুলালকে চান বিএনপির নেতা-কর্মীরা

শেরপুরের নালিতাবাড়ীর জাপান প্রবাসী শিল্পপতি দুলাল চৌধুরীকে চান বিএনপির নেতা-কর্মীরা। ২০১২ সাল থেকে দুলাল চৌধুরী নকলা-নালিতাবাড়ীবাসীর ভাগ্য উন্নয়নে কাজ করে যাচ্ছেন। তিনি নালিতাবাড়ীর গড়কান্দার এলাকার বাসিন্দা।

নালিতাবাড়ী কৃষক দলের আহ্বায়ক আব্দুল জলিল বলেন, “নকলা-নালিতাবাড়ীতে দুলাল চৌধুরীর পদচারণা দীর্ঘদিন থেকে। তিনি এসব এলাকার দরিদ্র মানুষদের আর্থিক স্বচ্ছলতা আনতে নানা ধরণের কর্মমুখী ব্যবস্থা গ্রহণ করেছেন। এছাড়া তিনি এলাকার বিভিন্ন মসজিদ-মাদ্রাসায় অনুদান দিয়ে যাচ্ছেন। পাশাপাশি মুক্তিযুদ্ধের স্মৃতিবিজড়িত নালিতাবাড়ীর সোহাগপুর বিধবাপল্লীতে মাদ্রাসা প্রতিষ্ঠায় সহায়তাসহ শিক্ষকদের বেতন-ভাতা দিয়ে যাচ্ছেন।”

আব্দুল জলিল আরও বলেন, “আমি ব্যক্তিগতভাবে তার সঙ্গে আলোচনা করে বুঝতে পেরেছি তিনি অবহেলিত এ অঞ্চলের সার্বিক উন্নয়নে কাজ করতে চান।”

এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, “উপজেলা বিএনপির কোনো কমিটিতে দুলাল চৌধুরীর নাম না থাকলেও আমরা তার পক্ষে কাজ করে যাচ্ছি। এমন একজন সৎ ও নির্লোভ মানুষকেই দলে খুব প্রয়োজন।”

কৃষক দলের সদস্য সচিব রাকিবুল ইসলাম বলেন, “দুলাল চৌধুরী একজন সাদা মনের মানুষ। তিনি খুব সহজেই সবার সঙ্গে আন্তরিকভাবে মিশতে পারেন। আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচনে আমি ওই শিল্পপতিকে এমপি হিসাবে দেখতে চাই।”

উপজেলা যুবদলের সভাপতি গোলাম কিবরিয়া মাক্সিম বলেন, “দুলাল চৌধুরী আমাদের সঙ্গে সার্বক্ষণিক যোগাযোগ রাখেন। তিনি আমাদের মাধ্যমে সমাজের খেটে খাওয়া হতদরিদ্র মানুষের তথ্য সংগ্রহ করেন। সে মোতাবেক কন্যা দায়গ্রস্ত পিতা, দরিদ্র অসহায় রোগী, অর্থের অভাবে বন্ধ হয়ে যাওয়া ছাত্র-ছাত্রীদের পড়াশোনার খরচ দিয়ে যাচ্ছেন। এছাড়া তিনি সমানতলে নকলা-নালিতাবাড়ীর বিভিন্ন মসজিদ-মাদ্রাসা নির্মাণ ও এতিমখানায় অর্থের যোগান দিচ্ছেন।”

নকলা উপজেলা বিএনপির আহ্বায়ক কমিটির সদস্য মোস্তাফিজুর রহমান জুয়েল বলেন, “শেরপুর-২ (নকলা-নালিতাবাড়ী) আসনের সাবেক এমপি ও হুইপ জাহেদ আলী চৌধুরীর মৃত্যুর পর স্থানীয় পর্যায়ে দলের কার্যক্রম অনেকটা স্তব্ধ হয়ে পড়ে। পরবর্তীতে দুলাল সাহেবের তৎপরতায় দলে আবার নতুন করে প্রাণ চাঞ্চল্য ফিরে আসে। সেই সঙ্গে মরহুম জাহেদ সাহেবের স্ত্রী ফরিদা চৌধুরীও এখন দল গোছাতে সময় দিচ্ছেন। ওই দুইজনের নেতৃত্বে আমরা এখন ভালো অবস্থানে আছি।”

নকলা পৌর ছাত্রদলের আহ্বায়ক সানোয়ার হোসেন অভি বলেন, “বিএনপি ক্ষমতা হারানোর পর স্থানীয় পর্যায়ে দলের ভিতর ঘাপটি মেরে থাকা একটি কুচক্রি মহল বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি করে। এছাড়া অনেক নেতা-কর্মী মামলা-হামলার শিকার হয়ে ছন্নছাড়া হয়ে যায়। দলের নিবেদিত প্রাণ হিসাবে দুলাল চৌধুরী সব বাধা কাটিয়ে নেতা-কর্মীদের সংগঠিত করছেন।”

দুলাল চৌধুরী বলেন, “শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের রাজনৈতিক আদর্শ আমার ভালো লাগে। তার দিক নির্দেশনা মননে ধারণ করে এবং সামাজিক দায়বদ্ধতা থেকে গরীব দুঃখী মানুষের পাশে দাঁড়ানোর চেষ্টা করি।”

স্বদেশ বিভাগের আরো খবর

Link copied!