• ঢাকা
  • রবিবার, ১৬ জুন, ২০২৪, ২ আষাঢ় ১৪৩১, ৯ জ্বিলহজ্জ ১৪৪৫
এশিয়ান স্পেশালাইজড হাসপাতাল

করোনা রোগীদের জন্য আইসিইউ চালু


চট্টগ্রাম প্রতিনিধি
প্রকাশিত: জুলাই ৩১, ২০২১, ০১:৩৭ পিএম
করোনা রোগীদের জন্য আইসিইউ চালু

করোনা রোগীর সেবায় পূর্ণাঙ্গ ডেডিকেটেড আইসিইউ চালু করেছে চট্টগ্রামের জিইসি মোড়স্থ এশিয়ান স্পেশালাইজড হসপিটাল অ্যান্ড ডায়াগনস্টিক সেন্টার।

শুক্রবার (৩০ জুলাই) নগরীর জিইসি মোড়স্থ এশিয়ান স্পেশালাইজড হসপিটাল অ্যান্ড ডায়াগনস্টিক সেন্টারে ৬ শয্যার ইনটেনসিভ কেয়ার ইউনিট (আইসিইউ) উদ্বোধন করা হয়। এ ছাড়া ১০টি এইচডিইউ বেড এবং পর্যাপ্ত হাই ফ্লো অক্সিজেন সরবরাহ ব্যবস্থা রয়েছে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ।

উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন চট্টগ্রামের অতিরিক্ত বিভাগীয় কমিশনার (উন্নয়ন) মো. মিজানুর রহমান। এশিয়ান স্পেশালাইজড হাসপাতালের চেয়ারম্যান সৈয়দ মোর্শেদ হোসাইনের সভাপতিত্বে আরও উপস্থিত ছিলেন সিভিল সার্জন ডা. শেখ ফজলে রাব্বি।

বিশেষ অতিথি ছিলেন প্রেসক্লাব সাধারণ সম্পাদক চৌধুরী ফরিদ, চসিক প্যানেল মেয়র গিয়াস উদ্দিন চৌধুরী, চকবাজার থানার ওসি মোহাম্মদ আলমগীর, ডা. সৈয়দ নুরুল কিবরিয়া, ডা. মাহাদী হাসান রাসেল।

অতিরিক্ত বিভাগীয় কমিশনার মো. মিজানুর রহমান বলেন, “মহামারির সময়ে এশিয়ান স্পেশালাইজড হসপিটালের আইসিইউ ইউনিট চালু করেছে। এটা প্রশংসনীয় উদ্যোগ। সব হাসপাতালে শয্যাসংখ্যা বাড়ানোর মাধ্যমে করোনা রোগীদের সেবা দিতে হবে। পর্যাপ্ত সেবা দেওয়ার জন্য সরকারের পক্ষ থেকে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে। বেসরকারি হাসপাতালগুলোকে সরকারের পাশাপাশি মানুষের কল্যাণে এগিয়ে  আসতে হবে। মুনাফা না দেখে মানবিক দিক বিবেচনায় এ দুর্দিনে সেবা দিতে হবে।”

সিভিল সার্জন ডা. শেখ ফজলে রাব্বি বলেন, “করোনার এই সময়ে আইসিইউ সংকটে মানুষের জীবন ঝুঁকির মধ্যে রয়েছে। এশিয়ান স্পেশালাইজড হাসপাতাল মানুষের সেবার কথা চিন্তা করে আইসিইউ সংখ্যা বাড়িয়েছে। এটি অত্যন্ত আনন্দের ও সময়োপযোগী।”

এশিয়ান হাসপাতালটি ১০০ শয্যার। এতে রয়েছে ২২৫ জন কর্মচারী। ২টি ওটি রুম, আইসিইউ, সিসিইউ, নিওনেটাল ইনটেনসিভ কেয়ার ইউনিট, এইচ ডি ইউ, ভিআইপি কেবিন, জেনারেল কেবিন, ফার্মেসী, আন্তঃবিভাগ ও বহির্বিভাগে রোগীর চিকিৎসা সেবা,  অ্যাম্বুুলেন্স সার্ভিস।

হাসপাতালে এখন পর্যন্ত ২ হাজার ২৫০ জন করোনায় আক্রান্ত রোগীকে সেবা দিয়েছে। এ ছাড়া ১০টি এইচডিইউ বেড এবং পর্যাপ্ত হাই ফ্লো অক্সিজেন সরবরাহ ব্যবস্থা রয়েছে।

Link copied!