• ঢাকা
  • বৃহস্পতিবার, ১৩ জুন, ২০২৪, ৩০ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩১, ৭ জ্বিলহজ্জ ১৪৪৫

উল্লাপাড়ায় ৫৫ শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খুলছে না


সিরাজগঞ্জ প্রতিনিধি
প্রকাশিত: সেপ্টেম্বর ১১, ২০২১, ০৯:০০ পিএম
উল্লাপাড়ায় ৫৫ শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খুলছে না

চলতি বন্যায় সিরাজগঞ্জের উল্লাপাড়া উপজেলার ৫৫টি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে বন্যার পানি উঠেছে। তাই আগামীকাল রোববার (১২ সেপ্টেম্বর) শিক্ষা প্রতিষ্ঠান খুললেও ওই প্রতিষ্ঠানগুলো বন্ধই থাকছে।

এর মধ্যে ৫০টি প্রাথমিক বিদ্যালয়, ৪টি মাদ্রাসা ও ১টি কলেজ রয়েছে।

উপজেলা শিক্ষা অফিস থেকে জানানো হয়েছে, ৫৫টি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের মধ্যে ১৮টি প্রাথমিক বিদ্যালয় বন্যার পানিতে ব্যাপক ক্ষতিগ্রস্ত হয়ে পাঠদানের অনুপযোগী হয়ে পড়েছে, পুনরায় মেরামত না করা পর্যন্ত পাঠদান সম্ভব নয়। দীর্ঘ দিন স্কুল-কলেজ বন্ধ থাকায় শিক্ষার্থী ঝড়ে পড়ার আশঙ্কা রয়েছে। তবে স্কুল-কলেজ খুললেই বুঝা যাবে শিক্ষার্থী ঝড়ে পড়েছে কি না?

১২ সেপ্টেম্বর থেকে সকল স্কুল-কলেজ খোলার সিদ্ধান্ত হওয়ায় স্বস্তি ফিরেছে শিক্ষকসহ সকল শিক্ষার্থীদের মধ্যে। যে সব বিদ্যালয়ে বন্যার পানি উঠেনি সেইগুলো পরিষ্কার পরিছন্ন করে স্বাস্থ্যসম্মতভাবে পাঠদানের উপযোগী করে প্রস্তুত করা হয়েছে।

বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত বিদ্যালয়গুলো হচ্ছে ভাটবেড়া, মুলবেড়া, কোনাবাড়ি, পূর্ব বংকিরাট, পশ্চিম বংকিরাট, ক্ষুদ্র বংকিরাট, মহেশপুর, খোজাখালী, মধুকোলা, পশ্চিম সাতবাড়িয়া, সাতবিলা, সিমলা সোনাভান, শিবপুর, নরসিংহপাড়া, চকপঙ্গাসী, ভাদালিয়াকান্দি, গোয়ালজানি ও দুর্গাপুর উত্তর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়। তবে উঁচু স্থান দেখে ঘর ভাড়া নিয়ে বিকল্প ব্যবস্থায় ওইসব বিদ্যালয়ের পাঠদান চালু করার চিন্তভাবনা চলছে। 

উপজেলার উধুনিয়া ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সভাপতি মো. রেজাউল করিম বাচ্চু জানান, করোনার কারণে সকল স্কুল-কলেজ বন্ধ ছিল। আগামী ১২ সেপ্টেম্বর স্কুল-কলেজ খোলার কথা শুনে ছাত্র-শিক্ষক ও অবিভাবকদের মধ্যে একটা আনন্দ বিরাজ করছে। কিন্তু ৫৫টি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে বন্যার পানি উঠায় খোলা যাচ্ছে না।

উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষক সমিতির সভাপতি ও ভাটবেড়া মাহমুদপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক ফরিদ উদ্দিন আহম্মেদ জানান, সরকার শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খুলে দেওয়ার এমন সিদ্ধান্তকে সাধুবাদ জানাই। তবে সরকারের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী স্বাস্থ্যবিধি মেনে বিদ্যালয়গুলো প্রস্তুত করা হয়েছে।

উপজেলা প্রাথমিক সহকারী শিক্ষা কর্মকর্তা আব্দুল্লাহ আল মামুন জানান, ২৭৮টি মধ্যে প্রায় ২২৩টি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান স্বাস্থ্যসম্মতভাবে প্রস্তুত করা হয়েছে। বাকী ৫৫টিতে বন্যার পানি উঠায় তা প্রস্তুত কারা সম্ভব হয়নি।

আব্দুল্লাহ আল মামুন আরও বলেন, বন্যার কারণে ১৮টি স্কুল ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।

উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা এ কে এম শামসুল হক জানান, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খোলার সিদ্ধান্ত হওয়ায় শিক্ষক- শিক্ষার্থীদের মধ্যে আনন্দ বিরাজ করছে। আগামী সোমবার সব শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের প্রধানদের ডেকে মিটিংয়ের মাধ্যমে সরকারি সব নির্দেশনা জানিয়ে দেওয়া হবে। প্রত্যেক শিক্ষক- শিক্ষার্থী মাস্ক পরে স্বাস্থ্যবিধি মেনে ক্লাসে প্রবেশ করার নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।
 

Link copied!