পর্তুগালকে বিদায় বলে দিলেন রোনালদো


সংবাদ প্রকাশ ডেস্ক
প্রকাশিত: নভেম্বর ৫, ২০২৬, ১০:৫১ পিএম
পর্তুগালকে বিদায় বলে দিলেন রোনালদো

আন্তর্জাতিক ফুটবল থেকে বিদায় নিলেন ক্রিস্টিয়ানো রোনালদো। আজ নিজের ইনস্টাগ্রাম অ্যাকাউন্টে অবসরের ঘোষণা দেন ৪১ বছর বয়সী এই ফুটবলার। ২০০৩ সালে আন্তর্জাতিক ফুটবলে অভিষেক হয়েছিল সিআরসেভেনের।

পর্তুগিজ ফুটবলের ইতিহাসে রোনালদোর নাম জড়িয়ে আছে অসংখ্য সাফল্যের সঙ্গে। দীর্ঘ আন্তর্জাতিক ক্যারিয়ারে দেশের হয়ে একের পর এক কীর্তি গড়েছেন এই তারকা। তাঁর গোলসংখ্যা ও ম্যাচ খেলার রেকর্ডই বলে দেয়, পর্তুগালের ফুটবলে কতটা গুরুত্বপূর্ণ ছিলেন তিনি।

কিছুদিন আগে পর্তুগালের কোচ জর্জ জেসুসের সঙ্গে বিরোধে জড়িয়েছিলেন রোনালদো। গত মাসে নেশনস লিগের একটি ম্যাচে তাঁকে খেলাতে চাননি কোচ। এ ঘটনায় ক্ষুব্ধ হয়ে দলের ক্যাম্প ছেড়ে চলে যান পর্তুগিজ তারকা।

সেই ঘটনার এক মাসর মধ্যেই আন্তর্জাতিক ফুটবল থেকে অবসরের ঘোষণা দিলেন রোনালদো। পর্তুগালের জার্সিতে তাঁর দীর্ঘ পথচলার ইতি ঘটল ২৩৪ ম্যাচ ও ১৪৬ গোলের অসামান্য অর্জন নিয়ে।

বিদায়ী বার্তায় পর্তুগাল দল এবং ভক্তদের প্রতি ভালোবাসা জানিয়েছেন রোনালদো। তিনি লেখেন, ‘পর্তুগালের ৭ নম্বর জার্সিটি তুলে রাখার সময় এসেছে। আমি কখনোই এটাকে শুধু আমার একার মনে করিনি; তবে গত ২৩ বছর ধরে এই জার্সি পরার পরম সৌভাগ্য ও দায়িত্ব আমার ওপর ছিল। পর্তুগাল সবসময় আমার হৃদয়ে থাকবে।’
‘পর্তুগালের ৭ নম্বর জার্সিটি তুলে রাখার সময় এসেছে। আমি কখনোই এটাকে শুধু আমার একার মনে করিনি; তবে গত ২৩ বছর ধরে এই জার্সি পরার পরম সৌভাগ্য ও দায়িত্ব আমার ওপর ছিল। পর্তুগাল সবসময় আমার হৃদয়ে থাকবে।’
সিদ্ধান্তটি যে সহজ ছিল না, সেটিও জানিয়েছেন রোনালদো, ‘আজ সেই জার্সি অন্য কারও হাতে তুলে দেওয়ার সময় এসেছে। তবে সিদ্ধান্তটি সহজ ছিল না, কারণ কিছু সিদ্ধান্ত একা নেওয়া যায় না।’

পর্তুগালের হয়ে রোনালদোর আন্তর্জাতিক ক্যারিয়ার সাফল্যে ভরপুর। দেশটির সর্বকালের সর্বোচ্চ গোলদাতা হওয়ার পাশাপাশি অধিনায়ক হিসেবে দলকে নেতৃত্ব দিয়েছেন তিনি। এই ফরোয়ার্ডের হাত ধরেই পর্তুগাল পেয়েছে ফুটবল ইতিহাসের অন্যতম সেরা অর্জনগুলো।

২০১৬ সালে ইউরোপিয়ান চ্যাম্পিয়নশিপ জয়ের পর ২০১৯ ও ২০২৫ সালে উয়েফা নেশনস লিগের শিরোপাও জিতেছে পর্তুগাল। এসব সাফল্যে সামনে থেকে নেতৃত্ব দেন রোনালদো। পাশাপাশি বিশ্বকাপে একাধিকবার অংশগ্রহণ এবং ব্যক্তিগত অসংখ্য রেকর্ড তাঁকে আন্তর্জাতিক ফুটবলের ইতিহাসে অনন্য উচ্চতায় নিয়ে গেছে।
 

Link copied!