টানা দুই ম্যাচ হেরে বিশ্বকাপের স্বপ্ন আগেই শেষ হয়েছে তিউনেশিয়ার। নেদারল্যান্ডসের বিপক্ষে শেষ ম্যাচটা তাই নিয়মরক্ষার।
সঙ্গে ছিল সান্ত্বনার জয় পাওয়ার।
সেটা যে তিউনিশিয়ার কাছে দূরের বাতি। ম্যাচ শুরু হতেই আরও স্পষ্ট হলো। কেননা শক্তি-সামর্থ্যে তাদের থেকে ঢের এগিয়ে প্রতিপক্ষ নেদারল্যান্ডস।
৮ নম্বরের বিপরীতে আবার তিউনিশিয়ার র্যাংকিং ৪৫।
শক্তিশালী ডাচদের বিপক্ষে জিততে কিংবা ড্র করতে হলে দারুণ কিছুই করতে হতো তিউনিশিয়াকে। কিন্তু কিসের কি? কানসাস সিটিতে রেফারির কিক অফের বাঁশি শেষ হতে না হতেই নিজেদের জালে বল খুঁজে পেল। সেটিও নিজেরাই নিজেদের জালে বল পাঠিয়ে।
আত্মঘাতী গোলটি করেছেন তিউনিশিয়ার অধিনায়ক। নেদারল্যান্ডসের ডিফেন্ডার ডেনজেল ডামফ্রিসের নিচু ক্রস ক্লিয়ার করতে গিয়ে নিজেদের জালে বল জড়িয়ে দেন ইলিয়াস স্কিরি। ৪ মিনিট পর আরেকটি গোল হজম করল তারা। ৭ মিনিটে গোলটি করলেন ব্রায়ান ব্রবি। সর্বশেষ ম্যাচে সুইডেনের বিপক্ষে জোড়া গোল করেন সান্ডারল্যান্ডের ফরোয়ার্ড।
তাতে শুরুতেই যেন তিউনিশিয়ার হারের গল্প লেখা হলো। তবে না, ৫৪ মিনিটে হেডে এক গোল কমিয়ে ম্যাচ জমানোর ইঙ্গিত দিল ফরোয়ার্ড হাজেম মাসতৌরি। তবে ওইটুকুই। পরে আরেকটি গোল হজম করে ৩-১ ব্যবধানে হেরে বাড়ির বিমান ধরার অপেক্ষায় এখন তারা। বিপরীতে ‘এফ’ গ্রুপে অপরাজিত চ্যাম্পিয়ন হয়ে নকআউটের টিকিট কাটল নেদারল্যান্ডস।
নেদারল্যান্ডসের হয়ে তৃতীয় গোলটি করেন ইয়ান পল হেকার। তিজানি রেইন্ডর্সের কর্নার থেকে হেডে গোলটি করেন তিনি। পরে আর কোনো গোল না হলে শেষ ৩২ নিশ্চিত করে ডাচরা। পরের রাউন্ডে তাদের প্রতিপক্ষ মরক্কো। বিপরীতে রানার্সআপ জাপানের প্রতিপক্ষ ব্রাজিল।
আজকের জয়ে গ্রুপ চ্যাম্পিয়ন হয়ে নকআউটে নেদারল্যান্ডস। ৭ পয়েন্ট নিয়ে ‘এফ’ গ্রুপের চূড়ায় তারা। বিপরীতে ৫ পয়েন্ট রানার্সআপ হয়ে পরের রাউন্ডে সুযোগ পেয়েছে জাপানও। তৃতীয় হয়েও নকআউটে দুদলের সঙ্গী হয়েছে সুইডেন। তাদের পয়েন্ট ৪। তৃতীয় সেরা দলের তালিকায় বর্তমানে তার শীর্ষে আছে।



































