দর্শক হিসেবে বিশ্বকাপ দেখার অপেক্ষা ফুরিয়েছে নরওয়ের। ২৮ বছর পর আবারও বিশ্বমঞ্চ মাতানোর সুযোগ পেয়েছে তারা।
প্রতীক্ষার অবসান ঘটনা স্কোয়াডটি তাদের ইতিহাসের সোনালি প্রজন্ম। ছোট দলের বড় তারকা খ্যাত আর্লিং হলান্ড-মার্টিন ওডেগার্ডদের সঙ্গে আছেন ইউরোপীয় ফুটবল মাতানো তরুণ ও অভিজ্ঞরা। তাই এবারের বিশ্বকাপে ‘কালো ঘোড়া’ হতে পারে তারা। পরিসংখ্যানও তাদের ‘জায়ান্ট কিলার’ হিসেবে পরিচয় করিয়ে দিচ্ছে।
ফুটবলের দুই পরাশক্তি ব্রাজিল-আর্জেন্টিনা তাদের কখনো হারাতে পারেনি। সর্বশেষ ১৯৯৮ বিশ্বকাপ খেলা নরওয়ে চতুর্থবারের মতো টিকিট পাওয়ার পথে বাছাই পর্বে প্রতিপক্ষদের গোলবন্যায় ভাসিয়েছে। মোট ৩৭ গোল করে ৮ ম্যাচের প্রতিটিতেই জয় ছিনিয়ে নিয়েছে।
কোচ : স্টেল সোলবাকেন
অধিনায়ক : মার্টিন ওডেগার্ড
ফিফা র্যাংকিং : ৩১
বিশ্বকাপ ইতিহাস
সেরা সাফল্য : শেষ ১৬ (১৯৩৮ ও ১৯৯৮)
সর্বশেষ : ১৯৯৮ (১৫তম)
প্রথম : ১৯৩৮
অংশগ্রহণ : ৪ বার
‘আই’ গ্রুপের সূচি
১৭ জুন : ইরাক বনাম নরওয়ে ম্যাসাচুসেটস ভোর ৪টা
২৩ জুন : নরওয়ে বনাম সেনেগাল নিউইয়র্ক/নিউ জার্সি সকাল ৬টা
২৭ জুন : নরওয়ে বনাম ফ্রান্স ম্যাসাচুসেটস রাত ১টা
গোলরক্ষক- অরিয়ান হাস্কিয়োল্ড নাইল্যান্ড, এগিল সেলভিক, সান্ডার ট্যাংভিক
ডিফেন্ডার- ক্রিস্টোফার ভাসবাক আয়ের, ফ্রেডরিক বিয়র্কান, হেনরিক ফালকেনার, সন্ড্রে ল্যাংগাস, তোরবিয়র্ন হেগগেম, মার্কুস হোমগ্রেন পেদারসেন, জুলিয়ান রাইয়েরসন, ডেভিড মোলার উলফ, লেও অস্টিগার্ড।
মিডফিল্ডার- থেলোনিয়াস আসগার্ড, ফ্রেডরিক অউরেস্নেস, প্যাট্রিক বার্গ, সান্ডার বার্গে, অস্কার বব, জেন্স পেটার হাউগে, আন্তোনিও নুসা, আন্দ্রেয়াস শেলদেরুপ, মর্টেন থর্সবাই, ক্রিস্টিয়ান থর্স্টভেড্ট, মার্টিন ওডেগার্ড।
ফরোয়ার্ড- আর্লিং হালান্ড, জর্গেন স্ট্র্যান্ড লারসেন, আলেকজেন্ডার সারলথ।


























