খেজুরের হিসাব দিলেন কিন্তু নিজ এলাকার সোলার ল্যাম্পপোস্ট বিতরণের হিসাবগুলা কেন দিচ্ছে না হাসনাত আবদুল্লাহ বলে প্রশ্ন তুলেছেন বাংলাদেশ ছাত্র অধিকার পরিষদের কেন্দ্রীয় সাংগঠনিক সম্পাদক (কুমিল্লা বিভাগ) সৈয়দ সাইফুল ইসলাম।
সম্প্রতি নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুকে এক ভিডিও বার্তায় এই প্রশ্ন তুলেন তিনি।
খেজুরের মতো ল্যাম্পপোস্টসহ অন্যান্য কাজের হিসাব এলাকাবাসীকে দেওয়া জন্য হাসনাত আবদুল্লাহর কাছে আহ্বান জানিয়েছেন তিনি।
ভিডিও বার্তায় সৈয়দ সাইফুল ইসলাম বলেন, হাসনাত আব্দুল্লাহ বলে যে এক টাকার দুর্নীতি করে নাই, প্রমাণ করতে পারলে সংসদ থেকে ইস্তফা দিয়ে দেবে। আরে ভাই এই দেবিদ্বারে সোলার প্যানেল যে বিতরণ করা হলো ওই সোলার প্যানেলগুলা কি সঠিকভাবে বিতরণ করা হয়েছে নাকি হয় নাই? আমি আমার এই ভিডিওর কমেন্ট বক্সে অনেকগুলা প্রমাণ অ্যাড করে দেব যে কোন কোন এলাকার মধ্যে ওই সোলার প্যানেলগুলো নির্দিষ্ট জায়গায় নেই এবং ওই ওয়ার্ডের মধ্যেও নাই। তাহলে ওই সোলার প্যানেলগুলো কোথায় গেল?
তিনি বলেন, আমি জানি ওই সোলার প্যানেলগুলো অনেক প্রভাবশালী ব্যক্তির বাড়ির সামনে গেছে।
অনেকজনের বাড়ির ভেতরে সিঙ্গেল কবরস্থানে, পারিবারিক কবরস্থানে চলে গেছে। অনেক জায়গায় অনেকের বাড়ির সামনে আলোকিত করা লাগবে দুইটা ল্যাম্পপোস্ট দিয়ে দিছে। আর কিছু এলাকাতে খালি রয়ে গেছে। বা কিছু বিক্রি করে দিছে কিনা ওই এনসিপির নেতাকর্মীরাই জানে, যারা বিতরণের দায়িত্বে ছিল।
ছাত্র অধিকার পরিষদের এই নেতা বলেন, এখন আমার হাসনাত আবদুল্লাহ ভাই খেজুরের হিসাব দিয়ে দিতে পারলেন। এখন তিনি তার এলাকার ল্যাম্পপোস্টের হিসাবগুলা কেন দিচ্ছেন না? ওই বিষয়গুলা নিয়ে প্রত্যেকটা ব্যক্তি ফেসবুকে পোস্ট করে করে প্রতিবাদ জানাচ্ছে। অনেকজন উপজেলা প্রশাসনের কাছে আবেদন করছে। তাহলে সেই ল্যাম্পপোস্টের হিসাবগুলা কেন দিচ্ছে না? এখন যদি বলেন তাহলে বলবে ল্যাম্পপোস্টটা বিতরণ করার দায়িত্ব আমার ছিল না। এটা ছিল উপজেলা প্রশাসনের।
তাইলে তৎকালীন সময় খেজুরের হিসাবও তার দেওয়ার কথা ছিল না। সেটা তো উপজেলা প্রশাসনেরই ছিল।
তিনি বলেন, হাসনাত যেহেতু দায়িত্ব নিয়ে দুর্নীতি এবং অনিয়মকে জিরো টলারেন্সে রাখতে চান তাহলে তিনি কেন এই হিসাবগুলা দিচ্ছেন না? রাস্তা বা আর্থিক বরাদ্দগুলা সঠিকভাবে হচ্ছে কিনা, রিপেয়ারিং বাজেটগুলা দিচ্ছে ওই রিপেয়ারিংগুলা হচ্ছে কিনা সেটাও তো দেখার বিষয়।






































