তথ্যমন্ত্রী ড. হাছান মাহমুদ বলেছেন, ধর্মকে ভুলভাবে উপস্থাপন করার কারণে বিভিন্ন দেশে হানাহানির ঘটনা ঘটে। ধর্মের প্রতিই শ্রদ্ধাশীল হওয়া উচিত।
বুধবার (৬ অক্টোবর) সকালে রাজধানীর বনানীর পূজামণ্ডপে শুভ মহালয়ার অনুষ্ঠানে যোগ দিয়ে এ কথা বলেন তিনি।
তথ্যমন্ত্রী বলেন, “পৃথিবীতে আমরা দেখতে পাই ধর্মের অনেক অপব্যাখ্যা করা হয় এবং অপব্যাখ্যা করে মানুষকে ভুল পথে পরিচালিত করার অপচেষ্টাও করা হয়। সেই কারণে পৃথিবীর বিভিন্ন জায়গাতে নানা ধরনের হানাহানি সৃষ্টি হয়, কিন্তু কোনো ধর্ম এ হানাহানির কথা বলে না, সমর্থন করে না।”
মহালয়ার মধ্য দিয়ে শুরু হলো হিন্দু সম্প্রদায়ের সবচেয়ে বড় ধর্মীয় উৎসব দুর্গাপূজার আনুষ্ঠানিকতা। এদিন থেকেই শুরু হয় দেবীপক্ষের। দেবী দুর্গাকে বরণ করতে মন্দিরে মন্দিরে চলে নানা আয়োজন।
সনাতন শাস্ত্রমতে, ব্রহ্মার বর অনুযায়ী কোনো মহিষাসুরকে একমাত্র নারী শক্তির দ্বারা সম্ভব ছিল বধ করা। কোনো মানুষ বা দেবতা দ্বারা তাকে বধ করা সম্ভব ছিল না। তাই ব্রহ্মা, বিষ্ণু ও শিব শক্তি দ্বারা সৃষ্ট নারীশক্তি সিংহবাহিনী মা দুর্গা মহিষাসুরকে পরাজিত করে হত্যা করেন। মহালয়ার দিনে দেবী দুর্গা মহিষাসুর বধের দায়িত্ব পান। আর এভাবেই মহালয়ার দিনে দেবী দুর্গার আগমন ঘটে মর্ত্যলোকে।
শাস্ত্রমতে আরও জানা যায়, মহালয়ার দিন থেকে দুর্গাপূজার দিন গণনা শুরু হয়। মহালয়া মানেই আর ৬ দিনের প্রতীক্ষা দেবী দুর্গা মায়ের পূজার। আর এই দিনেই দেবী দুর্গার চক্ষুদান করা হয়।
সনাতন পঞ্জিকা মতে, জগতের মঙ্গল কামনায় এবার দেবী দুর্গা মর্ত্যলোকে আসবেন ঘোটকে (ঘোড়া) চড়ে। এর ফল হচ্ছে ছত্রভঙ্গ। আর দেবী সপরিবার স্বর্গালোকে বিদায় নেবেন দোলায় (পালকি) চড়ে। যার ফল হচ্ছে মড়ক।
১১ অক্টোবর থেকে ষষ্ঠীপূজার মাধ্যমে দুর্গাপূজা শুভারম্ভ হবে। যথাক্রমে ১২ অক্টোবর সপ্তমী, ১৩ অক্টোবর অষ্টমী, ১৪ অক্টোবর নবমী ও ১৫ অক্টোবর দশমীর দিনে দেবী দুর্গার প্রতিমা বিসর্জনের মধ্য দিয়ে এবারের শারদীয় উৎসব সম্পূর্ণ হবে।






























