পর্তুগাল, পোল্যান্ড, মেক্সিকো ও মালদ্বীপে চুক্তিভিত্তিক নিয়োগ পাওয়া বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত যথাক্রমে এম মাহফুজুল হক, মো. ময়নুল ইসলাম, এম মুশফিকুল ফজল (আনসারী) ও মো. নাজমুল ইসলামকে প্রত্যাহার করে ঢাকায় পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে বদলি করা হয়েছে। রোববার (৮ মার্চ) পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানিয়েছে।
এই চার রাষ্ট্রদূতকে চুক্তিতে নিয়োগ দিয়েছিল সাবেক অন্তর্বর্তী সরকার। তাদের মধ্যে মাহফুজুল হক সাবেক সচিব। ময়নুল ইসলাম পুলিশের সাবেক মহাপরিদর্শক (আইজিপি)। অন্তর্বর্তী সরকার ক্ষমতা গ্রহণের পর ময়নুল ইসলামকে আইজিপি করা হয়েছিল। কয়েক মাসের মাথায় ২০২৪ সালের ২০ নভেম্বর বাহারুল আলমকে আইজিপি নিয়োগ দিয়ে ময়নুল ইসলামকে রাষ্ট্রদূত করেছিল অন্তর্বর্তী সরকার।
সাংবাদিক মুশফিকুল ফজল দীর্ঘদিন যুক্তরাষ্ট্রে ছিলেন। বিগত আওয়ামী লীগ সরকারের দমন–পীড়নের বিভিন্ন ঘটনা তিনি নিয়মিত যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্র দপ্তর ও জাতিসংঘের মহাসচিবের মুখপাত্রের ব্রিফিংয়ে তুলে ধরতেন। গণ–অভ্যুত্থানে আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের পর তাঁকে মেক্সিকোতে বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত করা হয়েছিল।
আর মো. নাজমুল ইসলাম একজন একাডেমিক। তুরস্কের একটি বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়াতেন তিনি। তাঁকে চুক্তিতে মালদ্বীপে রাষ্ট্রদূত হিসেবে নিয়োগ দিয়েছিল অন্তর্বর্তী সরকার।
চুক্তিতে নিয়োগ পাওয়া এই চারজনের সঙ্গে যুক্তরাজ্যে নিযুক্ত বাংলাদেশের হাইকমিশনার আবিদা ইসলামকেও প্রত্যাহার করে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় বদলি করা হয়েছে। পেশাদার কূটনীতিক আবিদা ইসলামকে গত বছরের জানুয়ারিতে লন্ডনে হাইকমিশনার হিসেবে নিয়োগ দিয়েছিল গত অন্তর্বর্তী সরকার। ১৫ ব্যাচের ওই কূটনৈতিক যুক্তরাজ্যে বহুল আলোচিত হাইকমিশনার সাইদা মুনা তাসনিমের স্থলাভিষিক্ত হন। শুরু থেকেই আবিদা ইসলামের নিয়োগ নিয়ে আপত্তি ছিল বিএনপি-জামায়াতের।
এসব রাষ্ট্রদূত ও হাইকমিশনারকে অতিসত্বর ঢাকায় পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে যোগ দিতে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

































