কাপ্তাই বাঁধের ১৬ জলকপাট খুলে দেয়া হয়েছে


সংবাদ প্রকাশ ডেস্ক
প্রকাশিত: আগস্ট ২৯, ২০২৬, ১১:৪৯ পিএম
কাপ্তাই বাঁধের ১৬ জলকপাট খুলে দেয়া হয়েছে

উজান ও ভাটি এলাকার পানি ব্যবস্থাপনা এবং বন্যা নিয়ন্ত্রণে শনিবার রাত ১০টার দিকে স্পিলওয়ের ১৬টি গেট ৬ ইঞ্চি করে খুলে পানি নিষ্কাশন করা হতে পারে। তবে পানির চাপ বেড়ে যাওয়ায় নির্ধারিত সময়ের প্রায় দুই ঘণ্টা আগেই জলকপাটগুলো খুলে দেয়া হয়।

কাপ্তাই হ্রদে পানি বাড়ায় রাঙ্গামাটির বাঘাইছড়িসহ বিভিন্ন এলাকার নিচু স্থান প্লাবিত হয়েছে। হ্রদের পানির চাপ কমাতে শনিবার রাত ৮টা ১৫ মিনিটের দিকে কর্ণফুলী পানি বিদ্যুৎকেন্দ্রের ১৬টি স্পিলওয়ে বা জলকপাট খুলে দেয়া হয়েছে। এতে প্রতি সেকেন্ডে প্রায় ৯ হাজার কিউসেক পানি কর্ণফুলী নদীতে নিষ্কাশিত হচ্ছে।


এদিন বিকালে জরুরি বিজ্ঞপ্তিতে কর্ণফুলী পানি বিদ্যুৎকেন্দ্র জানায়, দুপুর ২টায় কাপ্তাই হ্রদের পানির উচ্চতা ছিল ১০৫ দশমিক ৬৪ ফুট এমএসএল। হ্রদের সর্বোচ্চ পানি ধারণক্ষমতা ১০৯ ফুট এমএসএল।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, উজান ও ভাটি এলাকার পানি ব্যবস্থাপনা এবং বন্যা নিয়ন্ত্রণে শনিবার রাত ১০টার দিকে স্পিলওয়ের ১৬টি গেট ৬ ইঞ্চি করে খুলে পানি নিষ্কাশন করা হতে পারে। তবে পানির চাপ বেড়ে যাওয়ায় নির্ধারিত সময়ের প্রায় দুই ঘণ্টা আগেই জলকপাটগুলো খুলে দেয়া হয়।

এদিকে বিদ্যুৎকেন্দ্রের পাঁচটি ইউনিটে বিদ্যুৎ উৎপাদনের ফলে আরো প্রায় ৩২ হাজার কিউসেক পানি কর্ণফুলী নদীতে প্রবাহিত হচ্ছে। কাপ্তাই হ্রদ থেকে নিষ্কাশিত এ পানি কর্ণফুলী নদী হয়ে বঙ্গোপসাগরে গিয়ে পড়ছে।

কর্ণফুলী পানি বিদ্যুৎকেন্দ্রের এক প্রকৌশলী জানান, হ্রদের পানির উচ্চতা, পানির প্রবাহ ও বৃষ্টিপাতসহ সার্বিক পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করে রাত ৮টা ১৫ মিনিটে ১৬টি জলকপাট খুলে দেয়া হয়। বর্তমানে এসব গেট দিয়ে প্রায় ৯ হাজার কিউসেক পানি নিষ্কাশিত হচ্ছে।

এর আগে চলতি বছরের জুলাইয়ে রাঙ্গামাটির বন্যা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে কয়েক দফায় কাপ্তাই বাঁধের ১৬টি জলকপাট খুলে দেয়া হয়েছিল।

Link copied!