সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে উসকানিমূলক, মানহানিকর ও বিদ্বেষমূলক বক্তব্য প্রচারের অভিযোগে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের জ্যেষ্ঠ নায়েবে আমির মুফতি সৈয়দ মুহাম্মাদ ফয়জুল করীমের বিরুদ্ধে মামলার ঘটনায় বিব্রত প্রকাশ করেছেন কুমিল্লা-৬ আসনের সংসদ সদস্য মনিরুল হক চৌধুরী।
তিনি জানান, এ মামলা সম্পর্কে আগে থেকে তিনি কিছুই জানতেন না। কে বা কারা এটি করেছেন, সে সম্পর্কেও তার কোনো ধারণা নেই।
এক বিবৃতিতে মনিরুল হক চৌধুরী বলেন, ’সংবাদমাধ্যমের মাধ্যমে তিনি জানতে পেরেছেন যে তার নির্বাচনি এলাকা সদর দক্ষিণ থানায় চরমোনাই পীর সাহেবের বিরুদ্ধে একটি মামলা হয়েছে। বিষয়টি জানার পর তিনি বিব্রত হয়েছেন।’
তিনি বলেন, ’মামলার খবর পাওয়ার সঙ্গে সঙ্গেই আমি আমার নেতাকর্মীদের বাদীর সঙ্গে যোগাযোগ করে বিষয়টি সমাধানের উদ্যোগ নিতে এবং মামলা প্রত্যাহারের বিষয়ে অনুরোধ করতে নির্দেশ দিয়েছি। তারা আমাকে জানিয়েছে, বাদী মামলা প্রত্যাহার করতে সম্মত হয়েছেন।’
এমপি মনিরুল আরও জানান, সদর দক্ষিণ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) এবং তার আইনজীবীকেও এ বিষয়ে প্রয়োজনীয় কার্যকর ব্যবস্থা নিতে বলা হয়েছে।
বিবৃতিতে তিনি উল্লেখ করেন, জাতীয় সংসদে সংঘটিত একটি অনভিপ্রেত ঘটনাকে কেন্দ্র করে তার যে অভিযোগ ছিল, তা তিনি সংসদেই যথাযথ প্রক্রিয়া অনুসরণ করে লিখিতভাবে উপস্থাপন করেছেন। এর বাইরে কোনো ব্যক্তিগত প্রতিহিংসা বা হয়রানিমূলক পদক্ষেপে তিনি বিশ্বাসী নন বলেও ইঙ্গিত দেন।
তিনি বলেন, ’আমি সবসময় আইন, শৃঙ্খলা ও পারস্পরিক সৌহার্দ্য বজায় রাখার পক্ষে।’
চরমোনাই পীরের বিরুদ্ধে মামলাটি ঘিরে রাজনৈতিক অঙ্গনে আলোচনা তৈরি হলেও, মনিরুল হক চৌধুরীর এ অবস্থান মামলাটি নিষ্পত্তির দিকে যেতে পারে বলে সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন।
উল্লেখ্য, গত ২০ জুন জালাল আহমেদ খোকন তালুকদার নামে এক ব্যক্তি বাদী হয়ে মুফতি সৈয়দ মুহাম্মাদ ফয়জুল করীমের বিরুদ্ধে মামলাটি করেন।































