ভোট দেওয়ার পর ঘোষণাপত্র বা স্বাক্ষর ছাড়া পাঠানো গণভোট ও সংসদ নির্বাচনের পোস্টাল ব্যালট বাতিল হবে। নির্বাচন কমিশন (ইসি) আরও সাতটি কারণে এসব ব্যালট বাতিল ঘোষণা করবে। ইসির উপ-সচিব মোহাম্মদ মনির হোসেন সকল রিটার্নিং কর্মকর্তাকে এই সিদ্ধান্তের চিঠি পাঠিয়েছেন। চিঠিতে বলা হয়েছে, বৈধ ব্যালটপেপারগুলো জাতীয় সংসদের ক্ষেত্রে প্রার্থীভিত্তিক এবং গণভোটে হ্যাঁ/না ভিত্তিতে আলাদা করে গণনা করতে হবে।
প্রিজাইডিং অফিসার নিম্নলিখিত ক্ষেত্রে কোনো প্রার্থীর অনুকূলে পোস্টাল ব্যালট গণনা করবেন না:
- খামের মধ্যে ঘোষণাপত্র না থাকলে
- ঘোষণাপত্রে ভোটারের স্বাক্ষর না থাকলে
- একাধিক প্রতীকে টিক বা ক্রস চিহ্ন দেওয়া হলে
- কোনো প্রতীকে টিক বা ক্রস চিহ্ন দেওয়া না হলে
- চিহ্ন এমন যে কোন প্রার্থী/প্রতীকের পক্ষে ভোট তা যুক্তিসঙ্গতভাবে নিশ্চিত করা যায় না
- OCV (প্রবাসী) ক্ষেত্রে প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থীদের বাইরের প্রতীকে চিহ্ন দেওয়া হলে
- ব্যালটপেপারে টিক/ক্রস ছাড়া অন্য চিহ্ন থাকলে
গণনার সময় অবৈধ বা বাতিল ব্যালটগুলো একত্রে নির্ধারিত খামে রেখে সংখ্যা উল্লেখ করতে হবে এবং ফলাফল বিবরণীতে লিপিবদ্ধ করতে হবে। কোনো আসনের পোস্টাল ব্যালট গণনা শুরুর আগে রিটার্নিং অফিসারের কাছে না পৌঁছালে তা গণনায় অন্তর্ভুক্ত হবে না। আদালতের আদেশে প্রার্থী তালিকায় পরিবর্তন হলে (ভোটের ৪ দিন আগে পর্যন্ত) পোস্টাল ব্যালট গণনা করার প্রয়োজন হবে না। QR কোড ডুপ্লিকেট বা স্ক্যান না করার কারণে বাতিল ব্যালট আলাদা সংরক্ষণ করে হিসাব প্রকাশ করতে হবে।
আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি নির্বাচনে সরকারি চাকরিজীবী, কয়েদী, আইনশৃঙ্খলা বাহিনী ও প্রবাসীসহ ১৫ লাখ ৩৩ হাজার ভোটার পোস্টাল ব্যালটে নিবন্ধিত। ব্যালট ১২ ফেব্রুয়ারি বিকেল ৪:৩০ এর মধ্যে রিটার্নিং অফিসারের কাছে পৌঁছাতে হবে, অন্যথায় বাতিল হবে।






























