• ঢাকা
  • বুধবার, ১৯ জুন, ২০২৪, ৫ আষাঢ় ১৪৩১, ১২ জ্বিলহজ্জ ১৪৪৫

ফ্ল্যাট কেনার আগে যে বিষয়গুলো খেয়াল রাখা জরুরি


সংবাদ প্রকাশ ডেস্ক
প্রকাশিত: জুলাই ১৬, ২০২৩, ০১:১৮ পিএম
ফ্ল্যাট কেনার আগে যে বিষয়গুলো খেয়াল রাখা জরুরি

জমির বদলে অনেকেই সাধ্যের মধ্যে ফ্ল্যাট কিনতেই স্বাচ্ছন্দ্য বোধ করেন। কারণ জমি কিনে বাড়ি বানানো যেমন সময়সাপেক্ষ, তেমনি ব্যয়বহুলও। তবে ফ্ল্যাট কিনতে হলে যে বিষয়গুলো মাথায় রাখা জরুরি চলুন জেনে নিই-

যোগাযোগ ব্যবস্থা
ফ্ল্যাট কেনার আগে আশেপাশে স্কুল, কলেজ, বিশ্ববিদ্যালয়, বাজারঘাট ও নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের দোকান আছে কিনা সেটা যাচাই করে নেবেন। মেট্রোরেলের আশেপাশে ফ্ল্যাট হলে যাতায়াত ব্যবস্থা নিয়ে খুব বেশি চিন্তা করতে হবে না।

সাধ ও সাধ্য
অভিজাত এলাকায় ফ্ল্যাটের দাম অনেক বেশি।  ফ্ল্যাট কিনতে গিয়ে সাধ্যের বাইরে ফ্ল্যাট কিনতে না যাওয়াই ভালো। তাহলে যদি লোন নিয়ে থাকেন তাহলে সেটি পরিশোধের চিন্তায় নতুন ফ্ল্যাট কেনার আনন্দ অনেকটাই কোণঠাসা হয়ে পড়বে।  

রাস্তার পাশে কমপ্লেক্স
বাড়ি থেকে বের হয়েই গাড়ি, সিএনজি, রিকশা পাওয়া যাবে বলে রাস্তার পাশেই ফ্ল্যাট নেয়ার ইচ্ছা থাকতেই পারে। এতে সুবিধার পাশাপাশি অসুবিধাগুলোও বিবেচনা করে নেবেন। ব্যস্ত সড়কের লাগোয়া ফ্ল্যাট হলে গাড়ির হর্ন, রাস্তার কোলাহল যেমন বিরক্তির কারণ হতে পারে, তেমনি ধুলাবালির অত্যাচারও সইতে হবে বেশি। এর চাইতে কমপ্লেক্সের ভেতর ফ্ল্যাট কিনলে বেশ কিছু সুবিধা পাওয়া যাবে। হাঁটার জন্য পর্যাপ্ত জায়গা, ব্যায়ামাগার, শপিং মল, অনুষ্ঠান করার হলরুমের ব্যবস্থা থাকে কমপ্লেক্সে।

পানি ও গ্যাসের সুবিধা
যত সুন্দর ও সজ্জিত ফ্ল্যাটই হোক না কেন যদি এলাকায় পানি, ইলেক্ট্রিসিটি ও গ্যাসের সমস্যা থাকে, তাহলে পরবর্তীতে ভোগান্তির মেষ থাকবে না। তাই এগুলো খেয়াল করুন।

সংস্কারের প্রয়োজন
ফ্ল্যাট কেনার পর ইন্টেরিয়র বাবদ আপনাকে আরও খরচ করতে হবে কিনা ভেবে দেখুন। সাজসজ্জা অথবা সংস্কারের প্রয়োজন থাকলে শ্রমিক, ঠিকাদার এবং স্থপতিদের সাথে কাজ করতে হবে ফ্ল্যাট কেনার পর। এতে সময়, শ্রম এবং বেশ বড় অংকের অর্থ ব্যয় করতে হবে- এটা মাথায় রেখে ফ্ল্যাটের দাম নির্বাচন করবেন।

পার্কিংয়ের জায়গা
নিজস্ব ট্রান্সপোর্ট নেই বলে পার্কিংয়ের ব্যবস্থা নেই এমন ফ্ল্যাট না কেনাই ভালো। কারণ ভবিষ্যতে গাড়ি কিনলে সেটা রাখার জন্য বিড়ম্বনা পোহাতে হবে।

নির্মাণ সামগ্রী উন্নতমানের হওয়া জরুরি
দেখতে যতই আকর্ষণীয় হোক, বাড়ি তৈরিতে ব্যবহৃত সামগ্রী যদি উন্নতমানের না হয় তবে কিন্তু ভবিষ্যতে পড়তে পারেন বিপদে। জানালা, দরজা, টাইলস ও অন্যান্য উপকরণ ভালোমানের কিনা সেটা যাচাই করে নেবেন।  

রাজউক কিংবা প্রকল্পের অনুমোদন
ঢাকায় ফ্ল্যাট কিনতে চাইলে রাজধানী উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের (রাজউক) অনুমোদিত কি না সেটা যাচাই করে নিতে ভুলবেন না। ঢাকার বাইরে হলে নিজ নিজ এলাকার প্রকল্পের অনুমোদন নেওয়া আছে কিনা সে বিষয়েও খোঁজ নেবেন।

জরুরি রিহ্যাবের সদস্য হওয়াও
যে আবাসন প্রতিষ্ঠান থেকে ফ্ল্যাট কিনবেন, সেটি রিয়েল এস্টেট অ্যান্ড হাউজিং অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশের (রিহ্যাব) সদস্য কি না, সেটা নিশ্চিত হয়ে নেবেন।

চুক্তিপত্রের খুঁটিনাটি দেখে নেবেন
কোম্পানির সঙ্গে ফ্ল্যাট কেনার যে চুক্তিটি করবেন, সেটি অবশ্যই একজন দক্ষ আইনজীবীকে দিয়ে যাচাই করে নেবেন। চুক্তির খুঁটিনাটি বিষয়গুলোও ভালোভাবে দেখে নিন।

Link copied!