মুখের ওপর প্রাইমার হিসাবে যে ক্রিমগুলো ব্যবহার করা হয় সেগুলোকে ‘বিবি’ এবং ‘সিসি’ ক্রিম বলা হয়। এই দুইটি ক্রিমই দেখতে প্রায় একইরকম। এই কারণেই বেশিরভাগ মানুষ ‘বিবি’ এবং ‘সিসি’ ক্রিমের মধ্যে পার্থক্য করতে পারেন না। বিবি এবং ‘সিসি’ উভয় ক্রিমের টেক্সচার আলাদা এবং মেকআপের সময় দুটি ক্রিমের কাজও আলাদা। চলুন জেনে নেবো ‘বিবি’ না ‘সিসি’ ক্রিমের পার্থক্য—
বিবি ক্রিম
‘বিবি’ ক্রিম ‘অল ইন ওয়ান’ মেকআপ হিসাবে কাজ করে। ‘বিবি’ ক্রিমে প্রাইমার, ফাউন্ডেশন এবং ময়েশ্চারাইজার তিনটিই থাকে। এটি মুখের ওপর বেসের মতো লাগানো যেতে পারে এবং মুখের ওপর মেকআপের ভারী বেস লাগাতে হবে না। নিখুঁত চেহারার জন্য বিবি ক্রিম ব্যবহার করা উচিত।
বিবি ক্রিমের উপকারিতা
স্কিন টোন অনুযায়ী বিবি ক্রিম বেছে নিলে নিয়মিত মেকআপের জন্য ফাউন্ডেশন লাগবে না। এর সঙ্গে এই ক্রিমটি আপনার ত্বককে ময়েশ্চারাইজ করার পাশাপাশি ফাইন লাইন ইত্যাদি কমিয়ে দেবে। ভালো মানের `বিবি` ক্রিম সানস্ক্রিন হিসেবেও কাজ করে।
সিসি ক্রিম
‘সিসি’ ক্রিম ‘বিবি’ ক্রিমের চেয়ে হালকা, একে একভাবে সেমি ‘বিবি’ ক্রিম বলা যেতে পারে। এটি ত্বকের রং সংশোধনের জন্য। ‘সিসি’ ক্রিম লাগানোর আগে অবশ্যই ময়েশ্চারাইজার লাগাতে হবে। দুইটি ক্রিম একসঙ্গে লাগাবেন না।
সিসি ক্রিমের উপকারিতা
যাদের মুখে কালো দাগ বা লালচে দাগ আছে তাদের জন্য ‘সিসি’ ক্রিম ভালো। যদি ত্বকের লালভাব বা রং একই না হয় তবে ‘সিসি’ ক্রিম মুখে একই টেক্সচার দিতে কাজ করে।
দ্রুত মেকআপে কোনটা ব্যবহার করবেন
দিনের বেলার কোনো অনুষ্ঠান থাকলে ‘বিবি’ ক্রিম লাগান। কারণ এতে সানস্ক্রিন ক্রিমের কিছু উপাদান মেশানো থাকে। মুখে ঘাম হয় না। উপরন্তু মুখ উজ্জ্বল দেখায়। তবে ‘বিবি’ ক্রিমের সঙ্গে হালকা করে পাউডার লাগিয়ে নিতেও কিন্তু ভুলবেন না। পার্টি বা সন্ধ্যের কোনো অনুষ্ঠান থাকলে ব্যবহার করুন সিসি ক্রিম। তবে ‘সিসি’ক্রিম ব্যবহার করলেও কমপ্যাক্ট এবং হাইলাইটার অবশ্যই ব্যবহার করতে হবে।







































