এখন তরুণ-তরুণীদের প্রিয় একটি পোশাক ওভারঅলস। শীত-গ্রীষ্ম সব ঋতুতেই ওভারঅলস পরা যায় স্বাচ্ছন্দ্যে। এই পোশাকে খুব সহজেই মানিয়ে যায় সবাইকে।ওভারঅলস পরার প্রচলন প্রথম শুরু হয় ১৮৯০ সালের মাঝামাঝি। সে সময়ে মূলত কৃষক ও কয়লা শ্রমিকেরা এই পোশাক পরতেন।
তবে ওভারঅলস নিয়ে অনেকেরই একটি প্রচলিত ভুল ধারণা রয়েছে, এটি ডেনিমের একটি স্টেটমেন্ট। কিন্তু ডেনিম ছাড়াও ভেলভেট, সিল্ক, নিটসহ আরও কিছু আরামদায়ক ফেব্রিকে পাওয়া যায় এই পোশাক, যা এই পোশাককে আরও বেশি পরিধানযোগ্য করে তুলেছে। ক্ল্যাসিক এক রঙা ডেনিমের ওভারঅল ছাড়াও ট্রেন্ডে যোগ হয়েছে নানা রকম প্রিন্ট। স্ট্রাইপ ও ফুলেল ছাপা, পোলকা ডট, গিংহাম চেক, প্লেয়িড, ট্রাইবাল প্রিন্ট ও কেমো প্রিন্ট এনে দিচ্ছে ট্রেন্ডি লুক।

তবে গত কয়েক বছরে ওভারঅলের প্যাটার্নেও এসেছে পরিবর্তিত ধারা। নেকলাইনে এসেছে নানা রকম ডিজাইনের হুক এবং ফিতার ব্যবহার। সঙ্গে মেটাল চেইন, ফ্রন্ট জিপার, ফ্রন্ট বাটনসহ নানা রকম ডিজাইন। চলতি ধারায় ফিরে এসেছে সত্তরের দশকের ওয়াইড লেগ বা পায়ের দিকে চওড়া ওভারঅলস। তবে নিজেদের পছন্দ অনুযায়ীও পরা যাবে পোশাকটি।

ওভারঅলসের জনপ্রিয়তার আরও কারণ হচ্ছে, এটি ক্যাজুয়াল ও স্ট্রিটওয়্যার হিসেবে পরা যায়। এটি এমন পোশাক, যার সঙ্গে অনায়াসে যোগ করা যায় আরেকটি পোশাক। যেমন ওভারঅলসের সঙ্গে শার্ট, টপ, টি-শার্ট, সোয়েট শার্ট পরা যায় সাবলীলভাবে। আবার প্রতিটিতে তৈরি হয় ভিন্ন ভিন্ন লুক।

গরমে অফশোল্ডার টপ, হাতাকাটা টি-শার্ট, হালকা এক রঙা শার্ট বা প্লেয়িড শার্ট বেশ মানিয়ে যায় ওভারঅলসের সঙ্গে। শীতে তেমনি সোয়েটার, শ্রাগ, ট্রেঞ্চকোট, জ্যাকেট, প্লেয়িড ব্লেজারও পরা যায়। আরও ফ্যাশনেবল করতে যোগ করা যায় বেল স্লিভস, বেলুন স্লিভস, কোল্ড শোল্ডার, ক্রপ টপস, রিপ্লেড সিল্কসহ নানা রকম প্যাটার্নের হাতার টপ। আবার প্রিন্টেড ওভারঅলেও বেশ মানিয়ে যাবে একরঙা টপস।








































