সৌদি আরবের আরামকোর স্থাপনা এবং খামিস মুশাইত বিমানঘাঁটিতে পৃথক দু'টি সামরিক অভিযান চালানোর দাবি করেছে ইয়েমেনের ইরান-সমর্থিত হুথিগোষ্ঠী।
বুধবার ইয়েমেনের রাজধানী সানা থেকে হুথিদের দেওয়া এক বিবৃতিতে বলা হয়, ইয়েমেনে সৌদি নেতৃত্বাধীন চলমান সামরিক অভিযান ও অবরোধের জবাবে এসব হামলা চালানো হয়েছে।
বিবৃতি অনুযায়ী, প্রথম অভিযানে ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন দিয়ে ইয়ানবুতে সৌদি আরামকোর স্থাপনা লক্ষ্য করে হামলা চালানো হয়। দ্বিতীয় অভিযানে খামিস মুশাইত বিমানঘাঁটি লক্ষ্য করে ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র ছোড়া হয়।
হুথিদের দাবি, দু'টি হামলাই সরাসরি লক্ষ্যবস্তুতে আঘাত করেছে এবং এতে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে।
তবে হুথিদের এই দাবি স্বাধীনভাবে যাচাই করতে পারেনি বিবিসি।
বিবৃতিতে আরও বলা হয়, ইয়েমেনে সামরিক অভিযান ও অবরোধ বন্ধ না হওয়া পর্যন্ত সৌদি আরবের ভেতরে বিভিন্ন লক্ষ্যবস্তুতে অভিযান চালিয়ে যাবে তারা।
মার্কিন নাগরিকদের সৌদি আরব সফর পুনর্বিবেচনার আহ্বান যুক্তরাষ্ট্রের
সৌদি আরবের রাজধানী রিয়াদে অবস্থিত যুক্তরাষ্ট্রের দূতাবাস ও কনস্যুলেট এক বিবৃতিতে মার্কিন নাগরিকদের সৌদি আরব ভ্রমণের বিষয়ে ‘পুনর্বিবেচনা’ করার আহ্বান জানিয়েছে।
দূতাবাস জানিয়েছে, “ইরানি ড্রোন ও ক্ষেপণাস্ত্রের মাধ্যমে মার্কিন স্বার্থকে লক্ষ্যবস্তু করার ঝুঁকি, সশস্ত্র সংঘাত, সন্ত্রাসবাদ, ভ্রমণ-নিষেধাজ্ঞা এবং সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে কার্যকলাপ সংক্রান্ত স্থানীয় আইন” এই সতর্কতার কারণ।
ঘোষণায় আরও বলা হয়েছে, সৌদি আরবের কিছু এলাকায় ঝুঁকি আরও বেশি।
রিয়াদে অবস্থিত যুক্তরাষ্ট্রের দূতাবাস ও কনস্যুলেট তাদের নাগরিকদের “সন্ত্রাসবাদের হুমকির” কারণে ইয়েমেন-সৌদি সীমান্ত এলাকায় ভ্রমণ না করারও পরামর্শ দিয়েছে।
জুলাইয়ে ইয়েমেনের গৃহযুদ্ধ নতুন করে তীব্র হওয়ার পর থেকে হুথিরা সৌদি আরব-সমর্থিত ইয়েমেনি সরকারি বাহিনীর সঙ্গে পুনরায় সংঘাতে জড়িয়েছে।
গোষ্ঠীটি সৌদি আরবের বিরুদ্ধে নৌ অবরোধ ঘোষণার পাশাপাশি লোহিত সাগরে দেশটির জাহাজগুলোকে লক্ষ্যবস্তু করেছে।
সূত্র :বিবিসি

































