ভারত ও নেপালে টানা বর্ষণে বন্যা ও ভূমিধসে দেড় শতাধিক মানুষের মৃত্যু হয়েছে। বৃহস্পতিবার (২১ অক্টোবর) বিবিসির প্রতিবেদনে এ তথ্য জানা যায়।
পানিতে ডুবে ও ভূমিধসের ফলে পাথরের মধ্যে চূর্ণ হয়ে গেছে ঘরবাড়ি।
পর্যটনকেন্দ্র হিসেবে খ্যাত ভারতের উত্তরাখণ্ডের একই পরিবারের পাঁচজনসহ প্রায় ৫২ জন। কেরালায় প্রাণহানি হয় ৩৯ জনের। আর নেপালে প্রায় মারা গেছে ৭৭ জন। এদিকে দুই দেশে আরও কয়েক ডজন মানুষ নিখোঁজ রয়েছে।
উত্তরাখণ্ডের স্কুলগুলো বন্ধ, ধর্মীয় ও পর্যটন কার্যক্রম স্থগিত করে দেওয়া হয়েছে। গঙ্গার তীর ফেটে যাওয়া ঋষিকেশে পানি ঢুকে পড়েছে, এদিকে রাজ্যের জনপ্রিয় নৈনিতাল এলাকাও ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।
উত্তরাখণ্ডে সাধারণত পুরো অক্টোবরে ৩০.৫ মিমি (১.২ ইঞ্চি) পর্যন্ত বৃষ্টি হয়। এবার এই সপ্তাহে গত ২৪ ঘণ্টার মধ্যে ৩২৮ মিমি বৃষ্টিপাত রেকর্ড করা হয়েছে। ভারতীয় আবহাওয়া দপ্তর বলেছে, বৃষ্টি এখন কমছে।
কিন্তু নেপালে বৃষ্টিপাত এত তাড়াতাড়ি না-ও কমতে পারে। টানা বর্ষণে সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত এলাকা হল পূর্ব নেপালের পাঁচথর জেলা এবং পশ্চিম নেপালের ইলাম ও দোটি।
বার্তা সংস্থা রয়টার্সের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, পশ্চিম নেপালের সেতি গ্রামে দুদিন থেকে আটকে থাকা ৬০ জনের কাছে পৌঁছাতে হিমশিম খাচ্ছিল উদ্ধারকারীরা। বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত প্রতিটি ভুক্তভোগীর পরিবারকে প্রায় দেড় লাখ করে টাকা দিচ্ছে নেপাল সরকার।
উত্তরাখণ্ডের মুখ্যমন্ত্রী পুস্কর সিং ধামি মৃত ব্যক্তিদের পরিবারদের জন্য ৪০ লাখ রুপি ক্ষতিপূরণ এবং যাদের ঘরবাড়ি ধ্বংস হয়েছে তাদের জন্য আরও ১ লাখ ৯০ হাজার টাকা দেওয়ার ঘোষণা দিয়েছেন।




































