আদালতে আত্মসমর্পণ করতে নিউইয়র্কে ট্রাম্প


সংবাদ প্রকাশ ডেস্ক
প্রকাশিত: এপ্রিল ৪, ২০২৩, ১০:২৮ এএম
আদালতে আত্মসমর্পণ করতে নিউইয়র্কে ট্রাম্প

সাবেক পর্ন তারকা স্টর্মি ড্যানিয়েলসকে মুখ বন্ধ রাখতে ঘুষ দেওয়ার মামলায় আদালতে আত্মসমর্পণ করতে যুক্তরাষ্ট্রের নিউইয়র্ক শহরে পৌঁছেছেন সাবেক মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। স্থানীয় সময় সোমবার (৩ এপ্রিল) ব্যক্তিগত বিমানে করে সেখানে পৌঁছান তিনি। পরে সাবেক এই রিপাবলিকান প্রেসিডেন্ট নিউইয়র্কের ট্রাম্প টাওয়ারে যান এবং এখন সেখানেই অবস্থান করছেন।

মঙ্গলবার (৪ এপ্রিল) জেরুজালেম পোস্ট এক প্রতিবেদনে এ খবর জানিয়েছে। এতে বলা হয়, ট্রাম্প লেখা একটি বিমানে চড়ে নিউইয়র্কে পৌঁছান তিনি। আকাশচুম্বী ট্রাম্প টাওয়ারে প্রবেশের আগে সমর্থকদের উদ্দেশে হাত নাড়েন তিনি। প্রথম সাবেক মার্কিন প্রেসিডেন্ট হিসেবে ডোনাল্ড ট্রাম্প ফৌজদারি অভিযোগের সম্মুখীন হলেন। স্থানীয় সময় মঙ্গলবার ম্যানহাটনের আদালতে হাজিরা দেবেন তিনি। সেখানে তার সাজ ঘোষণা করা হবে। এছাড়া তার আঙুলের ছাপ নেওয়া হবে এবং ছবি তোলা হবে।

তবে নিজের বিরুদ্ধে আনা সব অভিযোগ এ পর্যন্ত অস্বীকার করে আসছেন ট্রাম্প। সোমবার আবারও একই কথা বলেন রিপাবলিকান পার্টির এই নেতা।

ড্যানিয়েলস দাবি করেছেন, সাবেক এই প্রেসিডেন্টের সঙ্গে তার একটি সম্পর্ক ছিল এবং তাকে চুপ থাকার জন্য অর্থ প্রদান করেছিলেন ট্রাম্প। যদিও ট্রাম্পের দাবি, তিনি ‘সম্পূর্ণ নির্দোষ’। একই সঙ্গে প্রেসিডেন্ট নির্বাচনের প্রতিযোগিতা থেকে সরে না যাওয়ারও ইঙ্গিত দিয়েছেন। তিনি বিষয়টিকে ‘রাজনৈতিক নিপীড়ন’ বলে অবিহিত করেছেন।

বিবিসি দেশটির গণমাধ্যমের বরাত দিয়ে জানিয়েছে, ব্যবসায়িক জালিয়াতি সম্পর্কিত আরও দুই ডজনের বেশি অভিযোগ রয়েছে ট্রাম্পের বিরুদ্ধে।

ট্রাম্পের শুনানিকে সামনে রেখে এফবিআই, নিউইয়র্ক সিটি কোর্ট কর্মকর্তারা এবং সিক্রেট সার্ভিসসহ আইন প্রয়োগকারী কর্মকর্তারা মঙ্গলবারের জন্য প্রস্তুতি নিচ্ছেন। নিউইয়র্ক পুলিশ বিভাগও শহরের আশপাশে যেকোনো বিক্ষোভের আশঙ্কায় নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার করেছে বলে জানা গেছে। পথে পথে নিরাপত্তা বাহিনীর সদস্যদের উপস্থিতি লক্ষ্য করা গেছে।

এদিকে সমর্থকদের বের হয়ে আসার আহ্বান জানিয়েছেন ট্রাম্প।

রয়টার্স বলছে, ২০১৬ সালের প্রেসিডেন্ট নির্বাচনী প্রচারণার সময় ডোনাল্ড ট্রাম্প মুখ বন্ধ রাখতে পর্ন তারকা স্টর্মি ড্যানিয়েলসকে ১ লাখ ৩০ হাজার ডলার দিয়েছিলেন বলে অভিযোগ আনা হয়েছে। এই পর্ন তারকার সঙ্গে সম্পর্ক নিয়ে গুঞ্জন ছড়িয়ে পড়ার পর তাকে অনৈতিকভাবে ওই অর্থ দেওয়া হয়। এমন অভিযোগ নিয়ে নিউইয়র্কের প্রসিকিউটররা পাঁচ বছর ধরে তদন্ত করছেন।

তিনি অভিযুক্ত হলেও ২০২৪ সালে মার্কিন প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে আবারও লড়াইয়ের ঘোষণা দিয়েছেন।

Link copied!