ক্ষমতাচ্যুত প্রধানমন্ত্রী ও আওয়ামী লীগ (বর্তমানে কার্যক্রম নিষিদ্ধ) সভানেত্রী শেখ হাসিনা আগামীকাল ভারতের নয়াদিল্লিতে সংবাদ সম্মেলনে অংশ নিচ্ছেন। সেখানে তিনি দুই বছরের মধ্যে প্রথমবার ভার্চুয়ালি যুক্ত হবেন। তবে এই অনুষ্ঠানের সঙ্গে ভারত সরকারের কোনো ধরনের সংশ্লিষ্টতা নেই বলে জানালেন দেশটির পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র রণধীর জয়সওয়াল।
মঙ্গলবার গণমাধ্যমকে ব্রিফিংকালে এক প্রশ্নের জবাবে তিনি এমনটা জানান।
৫ আগস্ট দিল্লিতে শেখ হাসিনা বক্তব্য দেবেন— জয়সওয়ালের কাছে এ বিষয়ে জানতে চাওয়া হয়। তিনি বললেন, ‘ভারত এই প্রক্রিয়ার সঙ্গে কোনোভাবেই যুক্ত নয়। যে আলোচনার কথা আপনারা বলছেন, সেটি একটি বেসরকারি মিডিয়া প্রতিষ্ঠান আয়োজন করছে। এতে সরকারের কোনো সম্পৃক্ততা নেই। আর ওই মঞ্চে যেসব মতামত ব্যক্ত হতে পারে, সরকার সেগুলোকে সমর্থনও করে না।’
এদিকে, চলতি বছরের ফেব্রুয়ারি থেকে দ্বিপক্ষীয় নিমন্ত্রণের পাশাপাশি বিমসটেকের চেয়ারম্যান হিসেবে ব্রিকস সম্মেলনে যোগ দিতে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানকে আমন্ত্রণ জানানো হয়েছে বলে নিশ্চিত করেছেন জয়সওয়াল। আগামী সেপ্টেম্বরে দিল্লিতে অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে এবারের ব্রিকস সম্মেলন।
জয়সওয়াল বলেছেন, ‘২০২৬ সালের ফেব্রুয়ারিতে দায়িত্ব গ্রহণের পর বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রীকে ভারতে দ্বিপক্ষীয় সফরের জন্য একটি আনুষ্ঠানিক আমন্ত্রণপত্র পাঠানো হয়েছিল।’
ব্রিকস সম্মেলনের বিষয়ে তিনি উল্লেখ করেন, ‘ব্রিকসের আউটরিচ সেশনের নির্ধারিত নিয়ম অনুযায়ীই প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানকে আমন্ত্রণ জানানো হয়েছে। একইভাবে অন্যান্য আঞ্চলিক জোটের প্রধানদেরও আমন্ত্রণ করা হয়েছে।’


















