বাংলাদেশে দুর্গাপূজার সময় মন্দিরে ভাঙচুর আর হিন্দু ধর্মাবলম্বীদের ওপর আক্রমণ ঘটনা উত্তেজনা ছড়ায় প্রতিবেশী দেশ ভারতে। এ ঘটনার জেরে সংখ্যালঘু মুসলিম সম্প্রদায়ের ওপর চড়াও হয় ত্রিপুরার উগ্রবাদী হিন্দুরা।
সেসময় ত্রিপুরার গোমতী জেলায় মসজিদে ভাঙচুর ও তাণ্ডব চালানোর খবর ছড়িয়ে পড়ে সামাজিক মাধ্যমে। এছাড়াও মুসলিমদের ওপর হামলা ও ধর্ষণের অভিযোগও করা হয়। বিবিসিসহ বিভিন্ন আন্তর্জাতিক গণমাধ্যমে অক্টোবরের শেষে ত্রিপুরায় মসজিদসহ মুসলিমদের বাড়িতে হামলার প্রতিবেদন প্রকাশিত হয়।
তবে ভারতের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রণালয়ের দাবি, ত্রিপুরার গোমতী জেলায় মসজিদ ভাঙচুর কোন ঘটনা ঘটেনি। সামাজিক মাধ্যমে ছড়ানো খবরটি ভুয়া ও বিকৃত তথ্য বলে জানিয়েছে মন্ত্রণালয়। এ নিয়ে উত্তেজনা না ছড়াতেও সবার প্রতি আহ্বান করা হয়েছে।
পাশাপাশি জানানো হয়, সাম্প্রতিক সময়ে ত্রিপুরায় মসজিদ ভাঙচুরের কোনও প্রমাণ পাওয়া যায়নি। সামাজিক মাধ্যমে যে ধরণের অভিযোগ করা হচ্ছিল তেমন কোনও সাধারণ অথবা ভয়াবহ হতাহতের ঘটনাও প্রমাণ পায়নি তদন্তকারীরা। একইসঙ্গে কোনও ধর্ষণ বা মৃত্যুরও অভিযোগ নেই।
হিন্দুস্তান টাইমস জানায়, স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের বিবৃতিতে মহারাষ্ট্রেও একইভাবে নানা ধরনের বক্তব্য হিংসা ছড়ানো হচ্ছে বলে সতর্ক করা হয়। শান্তি-শৃঙ্খলা ভঙ্গের উদ্দেশ্যেই জন্য এসব করা হচ্ছে বলে দাবি করে ভারত সরকারের।
























