১৯৭১ সালে স্বাধীনতা যুদ্ধ চলাকালীন পাকিস্তানের সেনাবাহিনীতে কর্মরত ছিলেন বাংলাদেশের কুমিল্লার সন্তান লেফটেন্যান্ট কর্নেল কাজী সাজ্জাদ আলি জহির। সেসময় নিজ দেশ পূর্ব পাকিস্তানে পশ্চিম পাকিস্তানি সেনাবাহিনীর নৃশংসতা দাগ কাটে তার হৃদয়ে।
আর তাই দেশকে বাঁচাতে জীবনের ঝুঁকি নিয়ে পাকিস্তানের শিয়ালকোট ঘাঁটি থেকে থেকে পালিয়ে ভারতে আসেন লেফটেন্যান্ট কর্নেল জহির। সীমান্তে আটকের পর ভারতীয় সেনারা গুপ্তচর ভেবে সন্দেহ করলেও, পাকিস্তানি সেনাবাহিনীর গোপন তথ্য দিয়ে নিজের যুক্তি পেশ করেন তিনি।
এরপর তাকে নিয়ে যাওয়া হয় দিল্লিতে। সেখানে ভারতীয় গোয়েন্দাদের সঙ্গে আলোচনার পর বাংলাদেশে আসেন এই সাহসী সৈনিক। পাকিস্তানি বাহিনীর বিরুদ্ধে লড়াইয়ের জন্য মুক্তিবাহিনীকে গেরিলাযুদ্ধের প্রশিক্ষণ দেন তিনি।
বাংলাদেশের পর এবার ভারতেও স্বীকৃতি পেলেন এই বীর সেনা। ১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধে অবদানের জন্য ভারতের চতুর্থ সর্বোচ্চ নাগরিক সম্মাননা পুরষ্কার পদ্মশ্রী পেয়েছেন তিনি। বৃহস্পতিবার (১১ নভেম্বর) হিন্দুস্তান টাইমস এ খবর প্রকাশ করেছে।
বিশ্বাসঘাতকতার অভিযোগে তার বিরুদ্ধে ৫০ বছর ধরে মৃত্যুদণ্ডের মামলা বিচারাধীন রয়েছে পাকিস্তানে। তবে বাংলাদেশের বীর সন্তান হিসেবেই সর্বোচ্চ নাগরিক সম্মাননা স্বাধীনতা পদক ও বীর প্রতীক উপাধিও লাভ করেছেন লেফটেন্যান্ট কর্নেল কাজী সাজ্জাদ আলি জহির।







































