• ঢাকা
  • মঙ্গলবার, ১৬ ডিসেম্বর, ২০২৫, ১ পৌষ ১৪৩২, ২৪ জমাদিউস সানি ১৪৪৭

কুবির ফার্মেসি বিভাগে শিক্ষক সংকটে বাড়ছে সেশনজট


কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিনিধি
প্রকাশিত: সেপ্টেম্বর ২৮, ২০২১, ০৩:১১ পিএম
কুবির ফার্মেসি বিভাগে শিক্ষক সংকটে বাড়ছে সেশনজট

কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয় (কুবি) প্রতিষ্ঠার সাত বছর পর ২০১৩ সালে ১৫তম বিভাগ হিসেবে তিনজন শিক্ষক নিয়ে চালু করা হয় ফার্মেসি বিভাগ।

বর্তমানে বিভাগটিতে ১১ জন শিক্ষক থাকলেও চারজন শিক্ষা ছুটিতে থাকায় মাত্র সাতজনের শিক্ষকের ওপরই বিভাগটির ৭টি ব্যাচের পাঠদান কার্যক্রম নির্ভর করছে। ফলে তীব্র সেশনজটে পড়েছেন বিভাগটির শিক্ষার্থীরা।

বিভাগ সংশ্লিষ্টদের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, প্রথম তিনটি ব্যাচের শিক্ষার্থীরা গড়ে দুই বছরের কাছাকাছি সময় সেশনজটে রয়েছেন। বিভাগটির বিভিন্ন ব্যাচের প্রতিটি সেমিস্টারে ৫ থেকে ৯টি করে কোর্স থাকে। ফলে সাতজন শিক্ষকের প্রত্যেককেই একই সঙ্গে অনেকগুলো কোর্সের দায়িত্ব নিতে হচ্ছে। বিভাগটিতে বর্তমানে নিয়মিত ক্লাস বা ল্যাব কার্যক্রম হচ্ছে না। যথাসময়ে পরীক্ষা গ্রহণ বা পরীক্ষার ফলাফল তৈরিতেও রয়েছে মন্থর গতি। প্রতিটি কোর্সের জন্য পর্যাপ্তসংখ্যক ক্লাস না হওয়া ও সেশনজটের পরিধি দিন দিন বাড়তে থাকায় হতাশা ও ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন বিভাগটির শিক্ষার্থীরা। 

ফার্মেসি বিভাগের ২০১৪-১৫ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থী শাখাওয়াত শাওন বলেন, শিক্ষক সংকটের কারণে এতগুলো ব্যাচের শিক্ষার্থীদের মানসম্মত শিক্ষা নিয়েও যথেষ্ট শঙ্কা দেখা দিয়েছে। যে আশা নিয়ে প্রতিবছর বিজ্ঞান বিভাগের সবচেয়ে মেধাবী প্রতিযোগীরা ফার্মেসি বিভাগে ভর্তি হচ্ছে, সে আশা অনেকটাই হতাশায় পরিণত হচ্ছে ক্লাস শুরুর পর বিভিন্ন সমস্যার মুখোমুখি হয়ে। আমরা এই তীব্র সংকটের অতি দ্রুত সমাধান চাই। 

২০১৫-১৬ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থী শাহরিয়ার মোহাম্মদ সোহান বলেন, একজন শিক্ষকের ওপর একসঙ্গে কয়েকটি ব্যাচের বিভিন্ন কোর্স ন্যস্ত থাকায়, যথাসময়ে আমাদের ক্লাস-পরীক্ষা শেষ হচ্ছে না। ফলে আমরা আরও ভয়াবহ সেশনজটের আশঙ্কা করছি।

এ প্রসঙ্গে জানতে চাইলে বিভাগের চেয়ারম্যান কৌশিক আহমেদ বলেন, সমস্যাগুলো সম্পর্কে আমি নিজেও অবগত। পর্যাপ্ত শিক্ষক না থাকায় মাত্র সাতজন শিক্ষক দিয়ে শিক্ষা কার্যক্রম চালানো অনেক কষ্টসাধ্য হয়ে পড়েছে। বিভাগে শিক্ষক নিয়োগের জন্য আমি প্রশাসনের সঙ্গে আলোচনা করেছি। আশা করছি, শিগগিরই শিক্ষক নিয়োগ দেওয়া হলে সমস্যাগুলো সমাধান হয়ে যাবে।

শিক্ষক সংকট নিরসনে সম্পর্কে কুবি রেজিস্ট্রার (অতিরিক্ত দায়িত্ব) অধ্যাপক ড. আবু তাহের বলেন, ফার্মেসি বিভাগসহ আরও অনেকগুলো (শিক্ষক নিয়োগের) সার্কুলার দেওয়া হয়েছে। প্রক্রিয়াধীন আছে, উপাচার্য মহোদয় সিদ্ধান্ত নেবেন কখন বোর্ড হবে।

শিক্ষা বিভাগের আরো খবর

Link copied!