নিখোঁজের দুদিন পর নারায়ণগঞ্জের শীতলক্ষ্যা নদী থেকে বুয়েট শিক্ষার্থী ফারদিন নূরের লাশ উদ্ধারের ঘটনায় তার এক বান্ধবীসহ দুইজনকে জিজ্ঞাসাবাদ করেছে পুলিশ।
সোমবার (৭ নভেম্বর) বিকেলে লক্ষ্মীনারায়ণ কটন মিলের পেছনে নদী থেকে লাশটি উদ্ধার করা হয়।
ফারদিন নূরকে কেউ হত্যা করে নদীতে ফেলে দিয়েছে, নাকি তিনি আত্মহত্যা করেছেন, সে বিষয়ে নিশ্চিত হতে পারেনি পুলিশ। মৃত্যুর রহস্য উদ্ঘাটনে ফারদিনের এক ছেলেবন্ধু ও এক বান্ধবীকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়েছে।
ফারদিনের লাশ উদ্ধারের পর নারায়ণগঞ্জ সদর নৌ পুলিশের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে বলে গণমাধ্যমকে জানিয়েছেন সিদ্ধিরগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মশিউর রহমান।
ফারদিন বুয়েটের পুরকৌশল বিভাগের তৃতীয় বর্ষের শিক্ষার্থী ছিলেন। শনিবার (৫ নভেম্বর) থেকে নিখোঁজ ছিলেন তিনি। ওই দিনই রাজধানীর রামপুরা থানায় এ বিষয়ে সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করেন তার বাবা কাজী নূর উদ্দিন।
জিডিতে বলা হয়, শুক্রবার বেলা তিনটার দিকে ফারদিন নূর পরশ রাজধানীর ডেমরা থানার কোনাপাড়ার বাসা থেকে বুয়েটে তার আবাসিক হলের উদ্দেশে বের হন। পরদিন শনিবার সকালে তার পরীক্ষা ছিল। তবে তিনি পরীক্ষায় অংশ নেননি।
ফারদিনের বাবা জিডিতে আরও লেখেন, তিনি পরে খোঁজ নিয়ে জানতে পেরেছেন, ফারদিন তার এক মেয়েবন্ধুর সঙ্গে রিকশায় রামপুরা গিয়ে নেমে যান। তারপর বাসায় ফেরেনি।
রামপুরা থানা-পুলিশ সূত্র জানায়, ফারদিন নিখোঁজের ঘটনায় তার এক মেয়ে ও এক ছেলেবন্ধুকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়েছে। নিখোঁজের দিন ফারদিনের মুঠোফোনের শেষ অবস্থান ছিল ঢাকার কেরানীগঞ্জ এলাকায়। পুলিশ সিসি ক্যামেরার কয়েকটি ভিডিওচিত্র সংগ্রহ করেছে। সেগুলো বিশ্লেষণ করে দেখা হচ্ছে। ফারদিন কেরানীগঞ্জে কীভাবে গিয়েছিলেন, তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে।




































