গোপালগঞ্জের কাশিয়ানীতে জমি সংক্রান্ত বিরোধের জের ধরে বড় ভাইয়ের স্ত্রী সুফি বেগমকে বাড়ির উঠানে গাছের সঙ্গে বেঁধে গায়ে আগুন ধরিয়ে দেন দেবর লিয়াকত মোল্লা। তার অবস্থা আশঙ্কাজনক। শরীরের অধিকাংশ অংশ আগুনে পুড়ে গেছে বলে জানা গেছে।
কাশিয়ানী উপজেলা ১০০ শয্যা বিশিষ্ট হাসপাতালে থেকে উন্নত চিকিৎসার জন্য জরুরিভাবে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়েছে।
মঙ্গলবার (১০ জানুয়ারি) বেলা ১১টার দিকে উপজেলার বাঘঝাপা গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। এর আগেও ওই দেবর তার ভাবির মাথার চুল কেঁটে দিয়েছিলেন। পরে সালিশ মীমাংশা করে মিটিয়ে নেওয়া হয় বলে জানিয়েছে এলাকাবাসী।
জানা গেছে, উপজেলার সাজাইল ইউনিয়নের বাঘঝাপা গ্রামের অবসরপ্রাপ্ত পুলিশ সদস্য ইউসুফ আলী মোল্লার সঙ্গে তার আপন ভাই লিয়াকত মোল্লার দীর্ঘ দিন ধরে পৈতৃক সম্পত্তি নিয়ে বিরোধ চলে আসছিল।
অভিযুক্ত লিয়াকত মোল্লাও একজন অবসরপ্রাপ্ত পুলিশ সদস্য। অভিযুক্ত লিয়াকাত তার পৈতৃক সম্পত্তির প্রাপ্য অংশ বিক্রি করে চলে যায়। কিন্তু এখন তিনি সম্পত্তি দাবি করেন। এ নিয়ে দুই ভাইয়ের মধ্যে বিরোধ চলে আসছিল।
এ বিরোধের জের ধরে আজ মঙ্গলবার লিয়াকত তার ভাবি সুফি বেগমকে কে ঘর থেকে বাহিরে এনে উঠানে থাকা পেয়ারা গাছের সঙ্গে বেঁধে তার গায়ে আগুন ধরিয়ে দেন।
উপজেলা ১০০ শয্যা বিশিষ্ট হাসপাতালের আবাসিক মেডিকেল অফিসার ডা. আমিনুল ইসলাম বলেছেন, রোগীর অবস্থা আশঙ্কাজনক। তার পুরো শরীরই পুড়ে গেছে। তাকে উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকায় পাঠানো হয়েছে।
কাশিয়ানী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মুহাম্মদ ফিরোজ আলম জানান, ঘটনার পর পর অভিযুক্ত বাড়ি থেকে পালিয়ে গেছেন। তাকে গ্রেপ্তারে অভিযান চলছে।







































