কাঁটাবনে বহুতল ভবনের আগুনে নিহত ২


সংবাদ প্রকাশ ডেস্ক
প্রকাশিত: জুন ২৭, ২০২৬, ১১:৪২ এএম
কাঁটাবনে বহুতল ভবনের আগুনে নিহত ২

রাজধানীর কাঁটাবনের বহুতল ভবনে লাগা আগুনে দুই ব্যক্তির মৃত্যু হয়েছে। শুক্রবার দিবাগত মধ্যরাতে তাদের উদ্ধার করে হাসপাতালে নেওয়া হলে চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন।

নিহতরা হলেন মো. জনি (২৪) ও আবদুস সালাম (২০)। সালাম বাড়ি বগুড়া জেলা কাহালু থানার বড় ভাদাহার মো. সেলিম সরকারের ছেলে। তিনি আল বারাকা টাওয়ারের ১১তলায় (আন্তর্জাতিক অপরাধ) ট্রাইব্যুনালের প্রসিকিউটর আবদুল্লাহ আল নোমানের ক্লার্ক ছিলেন। জনির গ্রামে বাড়ি কিশোরগঞ্জ সদরের বাবুন্দিয়া গ্রামে। তিনি সাবেক উপদেষ্টা হাসান আরিফের ছেলে ব্যারিস্টার মোয়াজের ক্লার্ক।

শুক্রবার দিবাগত ১টা ৫ মিনিটের দিকে ওই ভবনে লাগার খবর পায় ফায়ার সার্ভিস। পরে ফায়ার সার্ভিসের ৬টি ইউনিটের চেষ্টায় রাত ৩টা ৮ মিনিটে আগুন নিয়ন্ত্রণে আসে।

আগুনে দগ্ধ অবস্থায় দুজনকে উদ্ধার করে একজনকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ও অপর একজনকে জাতীয় বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটে নেওয়া হলেও তাদের মৃত ঘোষণা করা হয়।

তাদের হাসপাতালে নিয়ে আসা আইনজীবী সরোয়ার জানান, আগুনের ধোঁয়ায় গুরুতর আহত হয়েছিলেন তারা। আব্দুস সালামকে ঢামেকের জরুরি বিভাগে নিয়ে এলে কর্তব্যরত চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন ও জাতীয় বার্নে জরুরি বিভাগে জনিকে নিয়ে গেলে চিকিৎসক তাকেও মৃত ঘোষণা করেন।


তিনি আরও জানান, নিহত আব্দুস সালামের বাড়ি বগুড়া জেলা কাহালু থানা বড় ভাদাহার মো. সেলিম সরকারের ছেলে। বর্তমানে, আল বারাকা টাওয়ারের ১১তলায় (আন্তর্জাতিক অপরাধ) ট্রাইব্যুনালের প্রসিকিউটর আবদুল্লাহ আল নোমানের ক্লার্ক ও নিহত জনির গ্রামে বাড়ি কিশোরগঞ্জ সদরের বাবুন্দিয়া গ্রামে বাবুল মিয়ার ছেলে। সাবেক উপদেষ্টা হাসান আরিফের ছেলে ব্যারিস্টার মোয়াজে ক্লার্ক।

ঢামেক হাসপাতালের পুলিশ ক‍্যাম্পের ইনচার্জ পরিদর্শক মো. ফারুক চিকিৎসকের বরাত দিয়ে মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, মরদেহ ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালের জরুরি বিভাগ মর্গে রাখা হয়েছে। বিষয়টি সংশ্লিষ্ট থানাকে অবগত করা হয়েছে।
 

Link copied!