পানি প্রাপ্তি সাপেক্ষে তিস্তা চুক্তি বাস্তবায়নে ভারত সরকারের আপত্তি নেই বলে উল্লেখ করেছেন ভারতীয় হাইকমিশনার বিক্রম দোরাইস্বামী।
মঙ্গলবার (১৬ নভেম্বর) দুপুরে রংপুর সিটি করপোরেশনে ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি বাংলাদেশ সফরে যে ১ হাজার ৯টি লাইফ সাপোর্ট অ্যাম্বুলেন্স প্রদানের প্রতিশ্রুতি দেন। তার অংশ হিসেবে একটি অ্যাম্বুলেন্সের চাবি হস্তান্তর অনুষ্ঠানে এসব কথা বলেন বিক্রম দোরাইস্বামী।
ভারতীয় হাইকমিশনার বলেন, “বাংলাদেশ ভারতের ভ্রাতৃত্ব ও বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক খুবই গভীর এবং বর্তমান সরকারের সময়ে তা আরও সম্প্রসারিত হচ্ছে।”
বাংলাদেশের শিক্ষা, স্বাস্থ্য ও যোগাযোগ অবকাঠমোসহ সকল ক্ষেত্রে সহযোগিতা অব্যহত রয়েছে বলে তিনি মন্তব্য করেন।
বিক্রম দোরাইস্বামী আরও বলেন, “আবহাওয়া পরিবর্তনের কারণে বর্ষাকাল ছাড়াও অসময়ে ভারী বৃষ্টিপাত ও বন্যা হওয়ায় বাংলাদেশ ভারত যৌথ নদী কমিশনের আবহাওয়ার পূর্বাভাস ১৫ অক্টোবর থেকে ১৫ নভেম্বর পর্যন্ত বাড়ানো প্রয়োজন। এজন্য বাংলাদেশের প্রস্তাবে ভারত সম্মত আছে।”
ভারতীয় ওই কর্মকর্তা বলেন, “তিস্তা চুক্তি বাস্তবায়ন জটিল প্রক্রিয়া। কেননা ভারতের জনগণের চাহিদা ও প্রত্যাশা এবং পানি প্রাপ্তি সাপেক্ষে তিস্তা চুক্তি বাস্তবায়নে ভারত সরকারের আপত্তি নেই।”
ভারতীয় হাইকমিশনার বিক্রম দোরাইস্বামী বলেছেন, “চোরাচালান ও মাদক পাচার বাংলাদেশ ও ভারতের বড় সমস্যা। মাদকের রুট হিসেবে দুদেশের উচ্চ পর্যায়ে তা বন্ধে কার্যকরী পদক্ষেপ গ্রহণের উপায় নিয়ে সমঝোতা হয়েছে। এসব কারণেই সীমান্তে হত্যাকাণ্ড ঘটে; যাতে দুদেশের মানুষের প্রাণহানী হয়, যা শূন্যে নামাতে কাজ করছে দুই সরকার।”
এর আগে ভারতীয় হাইকমিশনার ও সহকারী হাইকমিশনার ভারত সরকারের সহায়তায় সড়ক উন্নয়নের কাজ পরিদর্শন এবং সিটি কাউন্সিলর ও কর্মকর্তাদের সঙ্গে মতবিনিময় সভা করেন।
রংপুর সিটি মেয়র মোস্তাফিজার রহমান মোস্তফার সভাপতিত্বে এই অনুষ্ঠানে ভারতের সহকারী হাই কমিশনার সঞ্জীব ভাট্টি, সিটি কর্পোরেশনের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা রুহুল আমিন মিয়া, প্যানেল মেয়র মাহমুদুর রহমান টিটুসহ কাউন্সিলর ও সুধীজন উপস্থিত ছিলেন।
পরে তিনি মাহিগঞ্জ বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের নবনির্মিত ভবনের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন ও রংপুর চেম্বার আয়োজিত ব্যবসায়ীদের সঙ্গে মতবিনিময় সভায় অংশ নেন।






































