• ঢাকা
  • রবিবার, ১৬ জুন, ২০২৪, ২ আষাঢ় ১৪৩১, ৯ জ্বিলহজ্জ ১৪৪৫

৩ খুনির খোঁজ দিতে পারলে পুরস্কার: পররাষ্ট্রমন্ত্রী


গোপালগঞ্জ প্রতিনিধি
প্রকাশিত: আগস্ট ১৫, ২০২১, ০৬:০১ পিএম
৩ খুনির খোঁজ দিতে পারলে পুরস্কার: পররাষ্ট্রমন্ত্রী

বঙ্গবন্ধুকে হত্যাকারী নিখোঁজ তিন খুনিকে বের করে দিতে প্রবাসীদের প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী আবুল কালাম আব্দুল মোমেন। 

১৫ আগস্ট জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ৪৬তম শাহাদাতবার্ষিকী ও জাতীয় শোক দিবসে কেন্দ্রীয় নেতারা গোপালগঞ্জের টুঙ্গিপাড়ায় যান। বঙ্গবন্ধুর সমাধিতে শ্রদ্ধা নিবেদন শেষে পররাষ্ট্রমন্ত্রী এ কথা বলেন।

পররাষ্ট্রমন্ত্রী আবুল কালাম আব্দুল মোমেন বলেন, “এদিন জাতির জন্য একটি শোকাবহ ও কলঙ্কের দিন। আমারা আশাকরি আমেরিকায় পালিয়ে থাকা একজনকে দেশে ফিরিয়ে এনে রায় কার্যকর করতে পারব। অন্য তিনজনের খবর আমরা জানি না। যারা বিদেশে পালিয়ে আছে।” 

আব্দুল মোমেন সকল প্রবাসীদের প্রতি আহ্বান জানিয়ে বলেন, “কেউ যদি বাকী তিনজনের খোঁজ দিতে পারেন, তাহলে তাদের পুরস্কৃত করা হবে।”

জাতির পিতার হত্যাকারীদের পেছনের কুশিলবদেরকে খুঁজে বের করে তাদের ও শাস্তির আওতায় আনার দাবি জানিয়ে লে. কর্নেল (অব) মুহাম্মদ ফারুক খান, আফম বাহাউদ্দিন নাছিম ও জাহাঙ্গীর কবির নানক একটি অসাম্প্রদায়িক দেশ গঠনের অঙ্গীকার করেন। 

দিনটি যথাযোগ্য মর্যাদায় পালন উপলক্ষে টুঙ্গিপাড়ায় বঙ্গবন্ধুর সমাধি সৌধ কমপ্লেক্সে নানা কর্মসূচি গ্রহণ করা হয়। যদিও প্রতিবছর প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা এদিন জাতির পিতার সমাধিতে শ্রদ্ধা জানাতে টুঙ্গিপাড়া এসে থাকেন। কিন্তু, করোনার কারণে এবছর প্রধানমন্ত্রী জাতীয় শোক দিবসের কর্মসূচিতে যোগ দিতে আসতে পারেননি।

এদিন সকাল ১০টায় প্রধানমন্ত্রীর পক্ষে সামরিক সচিব মেজর জেনারেল নকিব আহমদ চৌধুরী জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের সমাধি সৌধের বেদীতে পুষ্পস্তবক অর্পণ করে শ্রদ্ধা জানান। এ সময় তিন বাহিনীর পক্ষে অনার গার্ড দেন।

এরপর জেলা প্রশাসন, পুলিশ প্রশাসন, জেলা আওয়ামী লীগ ও সহযোগী সংগঠন, কেন্দ্রীয় স্বেচ্ছাসেবক লীগ, বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়, টুঙ্গিপাড়া উপজেলা মুক্তিযোদ্ধা ইউনিট কমান্ডসহ শতাধিক সংগঠনের পক্ষে বঙ্গবন্ধুর সমাধি সৌধের বেদীতে শ্রদ্ধা জানানো হয়।

পরে সমাধি সৌধ কমপ্লেক্স মসজিদে মিলাদ ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়। মিলাদ মাহফিলে কেন্দ্রীয় আওয়ামী লীগ ও স্থানীয় আওয়ামী লীগ ও সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মীরা যোগ দেন। এরপর সামাজিক দূরত্ব বজায় রেখে বিভিন্ন শ্রেণী ও পেশার মানুষকে শ্রদ্ধা জানাতে বঙ্গবন্ধু সমাধি সৌধ কমপ্লেক্স উন্মুক্ত করে দেওয়া হয়। সমাধিস্থল ফুলে ফুলে ভরে যায় বঙ্গবন্ধু প্রেমিদের ভালোবাসায়।

এদিকে, জাতীয় শোক দিবস উপলক্ষে টুঙ্গিপাড়ার বিভিন্ন ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে কালো পতাকা টাঙানো হয়। জেলার বিভিন্ন সড়কে কালো কাপড় দিয়ে তৈরি তোরণ দিয়ে শোকের আবোহ সৃষ্টি করা হয়েছে। এদিন জেলার সব মসজিদ, মন্দির, গীর্জায় জাতির পিতার আত্মার শান্তি কামনায় বিশেষ দোয়া ও প্রার্থনা সভা অনুষ্ঠিত হয়। 
 

Link copied!