• ঢাকা
  • বুধবার, ২৪ জুলাই, ২০২৪, ৯ শ্রাবণ ১৪৩১, ১৮ মুহররম ১৪৪৫

ফেনীতে ১৪৪ ধারা জারি


ফেনী প্রতিনিধি
প্রকাশিত: আগস্ট ২৩, ২০২২, ১০:৪৭ এএম
ফেনীতে ১৪৪ ধারা জারি

ফেনীর পরশুরামে আওয়ামী লীগ ও বিএনপি একই দিন ও সময়ে পাল্টাপাল্টি সভা আহ্বান করায় সেখানে উত্তেজনা দেখা দিয়েছে। এ অবস্থায় এলাকায় আইনশৃঙ্খলা ও শান্তিরক্ষায় উপজেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে মঙ্গলবার (২৩ আগস্ট) ভোর থেকে সন্ধ্যা পর্যন্ত ১৪৪ ধারা জারি করা হয়েছে।

এর আগে সোমবার (২২ আগস্ট) রাতে পরশুরাম উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) সৈয়দা শামসাদ বেগম স্বাক্ষরিত ১৪৪ ধারা জারিসংক্রান্ত একটি অফিস আদেশ জারি করা হয়।

ইউএনওর আদেশে উল্লেখ করা হয়, কেন্দ্রীয় কর্মসূচির অংশ হিসেবে উপজেলা বিএনপির উদ্যোগে স্টেশন রোডে বিক্ষোভ সমাবেশ ঘোষণা করা হয়। অপর দিকে একই দিন ও সময়ে উপজেলা আওয়ামী লীগ ও অঙ্গ সংগঠনের নেতা-কর্মীরা পরশুরাম বাজার ও আশপাশের এলাকায় অবস্থান এবং বিক্ষোভ কর্মসূচি ঘোষণা করে। দুই পক্ষের পাল্টাপাল্টি কর্মসূচিকে কেন্দ্র করে তাদের মধ্যে মারামারির ঘটনাসহ আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির অবনতির সম্ভাবনা দেখা দিয়েছে। এ অবস্থায় উভয় পক্ষের পাল্টাপাল্টি কর্মসূচিসহ যেকোনো ধরনের সভা-সমাবেশ বন্ধ করা ও আইনশৃঙ্খলা স্বাভাবিক রাখার স্বার্থে উপজেলা এলাকায় মঙ্গলবার ভোর ৬টা থেকে সন্ধ্যা পর্যন্ত পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত ১৪৪ ধারা প্রদান করা হয়েছে।

উপজেলা বিএনপির আহ্বায়ক আবদুল হালিমের অভিযোগ, তারা কেন্দ্রীয় কর্মসূচির অংশ হিসেবে উপজেলায় দলীয় কার্যালয়সংলগ্ন স্থানে বিক্ষোভ সমাবেশ আহ্বান করেন। কিন্তু সোমবার সন্ধ্যা থেকেই আওয়ামী লীগ ও তাদের অঙ্গ সংগঠনের নেতা-কর্মীরা বিএনপির কর্মসূচিকে পণ্ড করার জন্য পাল্টা সমাবেশ আহ্বান করে মাইকে প্রচারণা শুরু করেছে। এতে দলীয় নেতা-কর্মীদের মধ্যে উত্তেজনা দেখা দেয়। আইনশৃঙ্খলা ও শান্তি রক্ষার অজুহাত দেখিয়ে রাতেই উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তাকে দিয়ে ১৪৪ ধারা জারি করা হয়। যাতে বিএনপি সমাবেশ করতে না পারে।

মঙ্গলবার সকাল ৮টার দিকে উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদককে একাধিকবার ফোন করেও পাওয়া যায়নি।

পরশুরাম মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. সাইফুল ইসলাম বলেন, আওয়ামী লীগ ও বিএনপি একই দিন ও সময়ে বিক্ষোভ সমাবেশ আহ্বান করার পরিপ্রেক্ষিতে মঙ্গলবার ভোর থেকে সন্ধ্যা পর্যন্ত উপজেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে ১৪৪ ধারা জারির সত্যতা নিশ্চিত করা হয়েছে। ভোর থেকে কেউ যেন কোনো ধরনের সমাবেশ বিক্ষোভ বা আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতির অবনতি না ঘটাতে পারে সে জন্য পুলিশি টহল জোরদার করা হয়েছে।

Link copied!