• ঢাকা
  • বৃহস্পতিবার, ১৮ জুলাই, ২০২৪, ৩ শ্রাবণ ১৪৩১, ১১ মুহররম ১৪৪৫

তারাবিহ নামাজে ভুল ধরাকে কেন্দ্র করে সংঘর্ষ, আহত ২


পাবনা প্রতিনিধি
প্রকাশিত: এপ্রিল ১৮, ২০২২, ১২:৪১ পিএম
তারাবিহ নামাজে ভুল ধরাকে কেন্দ্র করে সংঘর্ষ, আহত ২

পাবনায় তারাবিহ নামাজে তেলাওয়াত করা সুরায় ভুল ধরাকে কেন্দ্র করে দুই পক্ষের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। এই সংঘর্ষে দুইজন আহত হয়েছেন।

রোববার (১৭ এপ্রিল) রাতে পাবনার ভাঙ্গুড়া উপজেলার চৌবাড়িয়া হারোপাড়া মডেল স্কুলসংলগ্ন মসজিদে তারাবিহের নামাজ আদায়ের সময় এই সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। খরব পেয়ে ভাঙ্গুড়া থানা পুলিশের সদস্যরা ঘটনাস্থলে এসে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। আহত দুইজন ভাঙ্গুড়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসাধীন।

প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, তারাবিহ নামাজ চলাকালীন মসজিদের ঈমাম রহমত উল্লাহ সুরা ইখলাস পরার সময়ে সিকান্দার নামের এক ব্যক্তি তার সুরা উচ্চারণ শুদ্ধ নয় বলে মন্তব্য করেন। এর পরিপ্রেক্ষিতে স্থানীয় সালাম নামে এক ব্যক্তির সঙ্গে মন্তব্যকারীর বাগবিতণ্ডা হয়। সেখানে উপস্থিত সিকান্দারের ছেলে ফরহাদ সালামকে মারধর করতে এগিয়ে এলে উপস্থিত মুসুল্লিরা তাদের থামিয়ে দেন। এরপর আবারও নামাজ শুরু হয়। ফরহাদ মসজিদ থেকে বাইরে গিয়ে তার ভাই সেলিম হোসেন, সাইফ আলী বিশ্বাস ও সেলিমের ছেলে বায়েজিদকে ডেকে মসজিদের সামনে নিয়ে আসেন। তারা সালামকে হুমকি দেন। এ সময় উপস্থিত মুসল্লিরা সালামকে অনাকাঙ্ক্ষিত পরিস্থিতি এড়াতে মসজিদের বাইরে যেতে বাধা দেয়। পরে সালামের ভাই আক্কাস আলী ও সিদ্দীক সেখানে উপস্থিত হয়ে বাইরে থাকা ফরহাদ, সেলিম, সাইফ ও বায়েজিদের সঙ্গে সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়েন। এই সময় ফরহাদ ও আক্কাস আলী আহত হন।

ঘটনার বিষয়ে সিকান্দারের ছেলে সেলিম হোসেন বলেন, “মসজিদের ভেতরে আমার বাবার সঙ্গে সালামের তর্কের জেরে তারা (সালাম ও তার ভাইয়েরা) এবং সালামের বাড়ির ভাড়াটিয়া মাসুম ফরহাদকে মারধর করেছে।”

এই বিষয়ে সালাম বলেন, “সিকান্দার দীর্ঘদিন ধরে মসজিদের এসে ঝামেলা করে। একইভাবে রোববার মসজিদে ইমামের ভুল ধরায় আমি তাকে নামাজ শেষে এই বিষয়ে কথা বলতে বলি। সে ও তার ছেলে ফরহাদ মসজিদের ভেতরেই আমার উপর চড়াও হয়। পরে তারা পরিবারের লোকজনকে ডেকে এনে আমার ভাইদের মারধর করে।”

ঘটনার বিষয়ে ভাঙ্গুড়া থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) সৌরভ কুমার জানান, এই ঘটনার কোনো পক্ষই এখনো থানায় অভিযোগ দেয়নি। স্থানীয় নেতারা বিষয়টি মীমাংসা করবেন বলে জানা গেছে। থানায় অভিযোগ পেলে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

Link copied!