টানা বৃষ্টিতে দেশের অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের মিরসরাইয়ের বিভিন্ন অংশে ছোট ছোট গর্তের সৃষ্টি হয়েছে। ফলে যানবাহন চলাচলে দেখা দিয়েছে ধীরগতি। দ্রুত সময়ের মধ্যে মহাসড়কে সৃষ্ট এই গর্তগুলো সংস্কার না করা হলে তা আরও বড় হয়ে যেতে পারে।
জানা গেছে, উপজেলার বড় দারোগারহাট থেকে ধুমঘাট সেতু পর্যন্ত মহাসড়কের ২৮ কিলোমিটারের বিভিন্ন পয়েন্টে গর্তের সৃষ্টি হয়েছে। গত চার দিন মুষলধারে বৃষ্টিতে ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের মিরসরাইয়ের বিভিন্ন অংশে ছোট ছোট গর্তের সৃষ্টি হয়। গর্তগুলো পর্যায়ক্রমে বড় হচ্ছে।
সড়কের মস্তান নগর বিশ্বরোড অংশ, বারইয়ারহাট, চিনকী আস্তানা, বিএসআরএম গেট, মিঠাছরা, বড়তাকিয়া, নয়দুয়ার, নিজামপুর ও বড়দারোগারহাট অংশে নির্দিষ্ট দূরত্বে গর্ত দেখা যায়। গর্তের কারণে মহাসড়কে দূরপাল্লার গাড়িগুলো চলছে ধীরগতিতে। ওভারলোড গাড়ি চলাচলের কারণে মহাসড়কের বিভিন্ন অংশ উঁচু-নিচু হয়ে যায়। এতে পানি জমে যায়। এই জমে থাকা পানি থেকে মূলত খানাখন্দের সৃষ্টি হয়।
সিএনজিচালিত অটোরিকশাচালক আবু তৈয়ব বলেন, লকডাউনের সময়ে সড়কে যাত্রী নিয়ে চলাচল করছিলাম। কিন্তু গত কয়েক দিনের টানা বৃষ্টি মিরসরাইয়ের পুরো অংশে গর্তের সৃষ্টি হওয়ায় চলাচল করতে কষ্ট হচ্ছে। গর্তের মধ্যে গাড়ি পড়ে অনেক যন্ত্রাংশ নষ্ট হচ্ছে।
মিনিট্রাকচালক মো. ইসমাইল বলেন, কয়েক দিন বৃষ্টি হলেও মহাসড়কে খানাখন্দের সৃষ্টি হয়। আমি প্রতি রাতে মুহুরি প্রজেক্ট থেকে মাছ নিয়ে চট্টগ্রাম শহরের বিভিন্ন আড়তে নিয়ে যাই। কিন্তু গত কয়েক দিন গর্তের কারণে রাতের বেলায় গাড়ি চালাতে অনেক কষ্ট হচ্ছে।
জোরারগঞ্জ হাইওয়ে থানার ওসি মো. ফিরোজ হোসেন বলেন, গত কয়েক দিনের টানা বৃষ্টিতে মহাসড়কের বিভিন্ন জায়গায় খানাখন্দের সৃষ্টি হয়েছে। এতে করে মহাসড়কে গাড়ি চলছে ধীরগতিতে। মহাসড়কের বিভিন্ন পয়েন্টে খানাখন্দের বিষয়ে সড়ক ও জনপদ বিভাগকে অবহিত করা হয়েছে।
এ বিষয়ে সড়ক ও জনপদ বিভাগের উপবিভাগীয় প্রকৌশলী (এসডি) রোকন উদ্দিন খালেদ চৌধুরী বলেন, টানা বৃষ্টির ফলে মহাসড়কের কিছু কিছু অংশে গর্তের সৃষ্টি হয়েছে। বৃষ্টি কমে গেলে তা সংস্কার করা হবে।