মধুর প্রতিশোধই নিল আর্জেন্টিনা। মেয়েদের হকি বিশ্বকাপ ফাইনালের গত আসরে নেদারল্যান্ডসের কাছে হেরেছিল তারা। এবার সেই ডাচদের হারিয়েই জিতল শিরোপা। ফাইনালে নির্ধারিত সময়ে ১-১ সমতার পর টাইব্রেকারে ৩-১ ব্যবধানে জেতে তারা।
আর্জেন্টিনা সর্বশেষ হকির বিশ্বকাপ জিতেছিল ২০১০ সালে। ১৬ বছর পর শিরোপা ঘরে তুলল তারা। নারীদের হকি বিশ্বকাপে এটা আর্জেন্টিনার তৃতীয় শিরোপা। সেটাও এল টানা তিনবারের চ্যাম্পিয়ন নেদারল্যান্ডসের মুকুট কেড়ে নিয়ে।
আমস্টারডামের ফাইনালে ইবি ইয়ানসের গোলে এগিয়ে যায় নেদারল্যান্ডস। প্রথমার্ধ শেষ হওয়ার ৫১ সেকেন্ড আগে ম্যাচের প্রথম পেনাল্টি কর্নার থেকে ইবি ইয়ানসেনের জোরালো শট গোলপোস্টের বাঁ দিক দিয়ে জড়ায় জালে। গোলের পর গর্জে উঠে গ্যালারিভর্তি দর্শক। এবারের বিশ্বকাপে সর্বোচ্চ ৮ গোল করলেন তিনি।
চতুর্থ কোয়ার্টারে খেলা শেষের ছয় মিনিট আগে আরেকটি পেনাল্টি কর্নার থেকে মারিয়া গ্রানাতোর গোলে সমতায় ফেরে আর্জেন্টিনা। ম্যাচের আলোচিত ঘটনা ছিল আর্জেন্টিনা গোলরক্ষক ক্রিস্তিনা কোসেন্তিনোর একটি অসাধারণ চমৎকার সেভ। পিয়েন ডিকের আক্রমণের মুখে গোলপোস্ট ছেড়ে প্রতিরোধ গড়ে স্কোরলাইন সমতায় রাখেন তিনি। এরপর ম্যাচ গড়ায় টাইব্রেকারে। সেখানেই বাজিমাত আর্জেন্টিনার।
ম্যাচসেরা আর্জেন্টাইন গোলরক্ষক ক্রিস্তিনা কোসেন্তিনো ফাইনাল শেষে ভাসলেন উচ্ছ্বাসে, ‘আমি ভাষা হারিয়ে ফেলেছি। আমরা এই মুহূর্তটির জন্যই অপেক্ষা করছিলাম ১৬ বছর ধরে। নেদারল্যান্ডস খুবই শক্ত প্রতিপক্ষ আর আমরা জানতাম ম্যাচটা এমনই হবে। আমাদের পরিকল্পনা ছিল প্রতিটি বলের জন্য লড়াই করা, গোল ঠিকই আসবে। আর তারপর শুটআউটে গিয়ে নিছক উপভোগ করা।’
এর আগে, ব্রোঞ্জ পদকের লড়াইয়ে অস্ট্রেলিয়াকে ১-০ গোলে হারিয়েছে বেলজিয়াম। ৪৮ বছরের অপেক্ষার সমাপ্তি ঘটিয়ে বিশ্বকাপে প্রথম পদক জিতল তারা।


























