পতুর্গালের সাংবাদিক মার্গারিদা আমারাল দমিঙ্গেজের সঙ্গে ২০২৩ সাল থেকে সম্পর্ক গনসালো রামোসের। এই জুটি গত বছর বাগদান সেরেছেন।
তাদের ঘর এসেছে পুত্রসন্তান বের্নার্দো। তবে বিয়েটা এখনো করা হয়নি।
গনসালো রামোস চেয়েছিলেন আগামী ১৮ জুলাই শুভ কাজটা সারবেন। কিন্তু ১৯ জুলাই বিশ্বকাপ ফাইনালের কথা ভেবে বিয়ে পিছিয়ে দিয়েছেন এই স্ট্রাইকার।
ক্রিস্টিয়ানো রোনালদোর এই সতীর্থের আশা, পতুর্গাল এবারের বিশ্বকাপের ফাইনালে উঠবে এবং তিনি শিরোপার মঞ্চে থাকবেন। এরপর বিয়ে করবেন।
গনসালো রামোস বলেছেন, ‘আমার বিয়ের অনুষ্ঠান হবে ২৫ জুলাই। বিশ্বকাপ শেষ হওয়ার এক সপ্তাহ পর।
আসলে বিয়ের তারিখ ছিল ১৮ জুলাই। কিন্তু ১৯ জুলাই বিশ্বকাপের ফাইনাল থাকায় সেটি পিছিয়ে দেওয়া হয়েছে। আশা করছি আমরা ফাইনালে পৌঁছাতে পারব।’
পর্তুগাল দলের অনুশীলনে ক্রিস্টিয়ানো রোনালদো ও গনসালো রামোস। ছবি: সংগৃহীত
পিএসজির হয়ে টানা দুই মৌসুম উয়েফা চ্যাম্পিয়নস লিগের শিরোপা জিতেছেন গনসালো রামোস।
তরতাজা সেই সুখস্মৃতি নিয়ে বিশ্বকাপ খেলতে গেছেন ২৫ বছর বয়সী স্ট্রাইকার।
তবে বিশ্বকাপে পর্তুগালের শুরুটা ভালো হয়নি। নিজেদের প্রথম ম্যাচে ডিআর কঙ্গোর সঙ্গে ১-১ গোলে ড্র করেছে পর্তুগিজরা।
সেই ম্যাচে রোনালদো ছিলেন একেবারেই নিষ্প্রভ। ৮২ মিনিটে বদলি নেমে গনসালো রামোসও ব্যবধান গড়ে দিতে পারেননি।
পর্তুগালের পরের ম্যাচ আগামীকাল (২৩ জুন) রাতে; প্রতিপক্ষ উজবেকিস্তান।
































