টস ভাগ্যটা বাংলাদেশের পক্ষে যায়নি। তাতে অবশ্য অখুশি হননি বাংলাদেশের অধিনায়ক মাহমুদউল্লাহ। শুরুতে ব্যাটিং পেয়ে টাইগার অধিনায়ক বলেছিলেন, আগে ব্যাটিং পেয়ে ভালোই হয়েছে। টস জিতলে তিনিও ব্যাটিং নিতেন। তাতে কন্ডিশনের সঙ্গে খাপ খাওয়ানো যাবে।
অধিনায়কের কথার প্রতিচ্ছবিই যেন দেখা গেল বাংলাদেশের ব্যাটিংয়ে। বিশেষ করে মোহাম্মদ নাঈম ও মুশফিকুর রহিমের ব্যাটিং ছিল ভয়ডরহীন। এ দুই ব্যাটারে ভর দিয়ে ১৭১ রানের চ্যালেঞ্জিং স্কোর গড়েছে বাংলাদেশ।
শারজায় বাংলাদেশের ভিতটা করে দিয়েছেন মোহাম্মদ নাঈম। ৬ চারে সাজিয়ে ৫২ বলে তার ৬২ রানের ইনিংসটি বাংলাদেশকে নিয়ে যায় বহু দূর।
এদিকে শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে জ্বলে ওঠা মুশফিকের বেশ পুরনো অভ্যাস। সেই সেই অভ্যাস ফিরিয়ে আনতে মোটেও ভুল করেননি বাংলাদেশের অভিজ্ঞ এই ব্যাটার, খেললেন ৩৭ বলে ৫৮* রানের এক ক্যামিও ইনিংস। ২টি ছক্কা ও ৫টি চারে অপরাজিত ছিলেন তিনি।
নাঈম-মুশফিক জুটিতে ৭৩ রান পায় বাংলাদেশ। তা-ও আসে ৫১ বলে। এদিন আফিফ হোসেন জ্বলে উঠতে না পারলেও শেষ দিকে রানের গতি বাড়াতে ভালো ভূমিকা নেন অধিনায়ক মাহমুদউল্লাহ। মুশফিকের সঙ্গে গড়েন ১০ বলে ২১* রানের জুটি। ৫ বল খেলে নিজে অপরাজিত থাকেন ১০* রানে।
এর আগে ওপেনিং জুটিতে ৪০ রান পায় বাংলাদেশ। ব্যক্তিগত ১৬ রানে লিটন দাস আউট হয়ে গেলে ভাঙে সেই জুটি। তিনে নেমে সাকিব আল হাসানও অবশ্য বেশিক্ষণ টিকতে পারেননি। ব্যক্তিগত ১০ রানের সাজঘরে ফেরেন বিশ্বসেরা এই অল রাউন্ডার। এরপরই শুরু নাঈম-মুশফিকের মহাকাব্যিক জুটি।

































